ছোট্ট রামিসার চলে যাওয়া
শুধু একটি শিশুর মৃত্যু নয়
এ যেন এক মায়ের বুকের ভেতর থেকে
পুরো একটা পৃথিবী উপড়ে নেওয়া।
আজও হয়তো তার মা
দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে নিঃশব্দে
হঠাৎ যদি ছোট্ট পায়ের শব্দ শোনা যায়,
হঠাৎ যদি দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরে বলে,
“মা…”
কিন্তু না
ঘর আজ নিঃসঙ্গ।
বালিশে আর ঘুমের গন্ধ নেই।
খেলনাগুলোও যেন আজ অনাথ হয়ে পড়ে আছে।
দেয়ালের ছবিগুলোও চুপচাপ তাকিয়ে থাকে
যেন তারাও বুঝে গেছে,
এই ঘরে আর কোনো হাসি ফিরবে না।
বলুন তো,
একটি মা কতটা কাঁদলে
রাতের আকাশও নীরবে ভিজে যায়?
একটি বাবার বুক কতটা ভাঙলে
চোখের ভাষাও হারিয়ে ফেলে শব্দ?
একটি শিশুর ছোট্ট জীবন
কতটা অবহেলায় ঘেরা হলে
এভাবে হঠাৎ থেমে যায়?
কতটা নিষ্ঠুর হলে পৃথিবী
একটি নিষ্পাপ মুখের হাসি কেড়ে নেয়?
রামিসা তো শুধু একটি নাম নয়
সে প্রতিটি শিশুর প্রতিচ্ছবি,
যে নিরাপদ শৈশব পাওয়ার অধিকার নিয়ে জন্মায়।
সে প্রতিটি মায়ের স্বপ্ন,
যে সন্তানের হাসির ভেতর নিজের বেঁচে থাকা খুঁজে পায়।
কিন্তু আজ
একটি ছোট্ট কবরের পাশে দাঁড়িয়ে
একটি প্রশ্ন বারবার বুক চিরে যায়—
আমরা কি সত্যিই শিশুদের জন্য
নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে পেরেছি?
হে সমাজ,
একবার শুধু একজন মায়ের চোখ দিয়ে দেখুন
যে মা আজও হয়তো সন্তানের জামা
বুকের সঙ্গে জড়িয়ে কাঁদে গভীর রাতে।
একবার শুধু একজন বাবার নীরবতা শুনুন
যেখানে কোনো শব্দ নেই,
তবুও হাজার ভাঙা স্বপ্নের আর্তনাদ লুকিয়ে আছে।
কারণ কিছু কান্না শব্দ করে না,
তবুও পুরো পৃথিবী কাঁপিয়ে দেয়।
রামিসার মায়ের কান্না তেমনই এক কান্না
যে কান্না মানুষের বিবেককে প্রশ্ন করে,
মানবতাকে আয়নার সামনে দাঁড় করায়।
একটি শিশু হারিয়ে গেলে
শুধু একটি পরিবার ভেঙে পড়ে না
মানবতার বুক থেকেও
এক টুকরো আলো নিভে যায়।
আর সেই অন্ধকার
অনেক দিন ধরে
আমাদের
হৃদয়ে রয়ে যায় নিঃশব্দ
কলমে:সাহেলা খান রিমু
ঢাকা, বাংলাদেশ
.png)
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
ছোট্ট রামিসার চলে যাওয়া
শুধু একটি শিশুর মৃত্যু নয়
এ যেন এক মায়ের বুকের ভেতর থেকে
পুরো একটা পৃথিবী উপড়ে নেওয়া।
আজও হয়তো তার মা
দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে নিঃশব্দে
হঠাৎ যদি ছোট্ট পায়ের শব্দ শোনা যায়,
হঠাৎ যদি দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরে বলে,
“মা…”
কিন্তু না
ঘর আজ নিঃসঙ্গ।
বালিশে আর ঘুমের গন্ধ নেই।
খেলনাগুলোও যেন আজ অনাথ হয়ে পড়ে আছে।
দেয়ালের ছবিগুলোও চুপচাপ তাকিয়ে থাকে
যেন তারাও বুঝে গেছে,
এই ঘরে আর কোনো হাসি ফিরবে না।
বলুন তো,
একটি মা কতটা কাঁদলে
রাতের আকাশও নীরবে ভিজে যায়?
একটি বাবার বুক কতটা ভাঙলে
চোখের ভাষাও হারিয়ে ফেলে শব্দ?
একটি শিশুর ছোট্ট জীবন
কতটা অবহেলায় ঘেরা হলে
এভাবে হঠাৎ থেমে যায়?
কতটা নিষ্ঠুর হলে পৃথিবী
একটি নিষ্পাপ মুখের হাসি কেড়ে নেয়?
রামিসা তো শুধু একটি নাম নয়
সে প্রতিটি শিশুর প্রতিচ্ছবি,
যে নিরাপদ শৈশব পাওয়ার অধিকার নিয়ে জন্মায়।
সে প্রতিটি মায়ের স্বপ্ন,
যে সন্তানের হাসির ভেতর নিজের বেঁচে থাকা খুঁজে পায়।
কিন্তু আজ
একটি ছোট্ট কবরের পাশে দাঁড়িয়ে
একটি প্রশ্ন বারবার বুক চিরে যায়—
আমরা কি সত্যিই শিশুদের জন্য
নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে পেরেছি?
হে সমাজ,
একবার শুধু একজন মায়ের চোখ দিয়ে দেখুন
যে মা আজও হয়তো সন্তানের জামা
বুকের সঙ্গে জড়িয়ে কাঁদে গভীর রাতে।
একবার শুধু একজন বাবার নীরবতা শুনুন
যেখানে কোনো শব্দ নেই,
তবুও হাজার ভাঙা স্বপ্নের আর্তনাদ লুকিয়ে আছে।
কারণ কিছু কান্না শব্দ করে না,
তবুও পুরো পৃথিবী কাঁপিয়ে দেয়।
রামিসার মায়ের কান্না তেমনই এক কান্না
যে কান্না মানুষের বিবেককে প্রশ্ন করে,
মানবতাকে আয়নার সামনে দাঁড় করায়।
একটি শিশু হারিয়ে গেলে
শুধু একটি পরিবার ভেঙে পড়ে না
মানবতার বুক থেকেও
এক টুকরো আলো নিভে যায়।
আর সেই অন্ধকার
অনেক দিন ধরে
আমাদের
হৃদয়ে রয়ে যায় নিঃশব্দ
কলমে:সাহেলা খান রিমু
ঢাকা, বাংলাদেশ
.png)
আপনার মতামত লিখুন