কেএম জহুরুল হক, ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মাদকাসক্ত এক যুবকের হামলায় ফুফু নিহত এবং মা ও চাচি গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভোরে উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের বাজে তেলকপি গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত জোহরা বেগম (৫৫) একই গ্রামের মৃত ছালু মিয়ার মেয়ে। আহতরা হলেন অভিযুক্তের মা আনোয়ারা বেগম ও চাচি জেলেখা বেগম। তাদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত ছালু মিয়ার ছেলে মোঃ সোহেল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সোহেল ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এসময় তার মা আনোয়ারা বেগম, চাচি জেলেখা বেগম ও ফুফু জোহরা বেগম গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে নৌকাযোগে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তবে পথেই জোহরা বেগম মারা যান বলে জানা গেছে। অপর আহত দুইজনকে প্রথমে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
ঘটনার পর এলাকাবাসী অভিযুক্ত সোহেল মিয়াকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে ফুলছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুরুল হুদার নেতৃত্বে পুলিশ নৌকাযোগে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।
.png)
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
কেএম জহুরুল হক, ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মাদকাসক্ত এক যুবকের হামলায় ফুফু নিহত এবং মা ও চাচি গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভোরে উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের বাজে তেলকপি গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত জোহরা বেগম (৫৫) একই গ্রামের মৃত ছালু মিয়ার মেয়ে। আহতরা হলেন অভিযুক্তের মা আনোয়ারা বেগম ও চাচি জেলেখা বেগম। তাদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত ছালু মিয়ার ছেলে মোঃ সোহেল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সোহেল ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এসময় তার মা আনোয়ারা বেগম, চাচি জেলেখা বেগম ও ফুফু জোহরা বেগম গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে নৌকাযোগে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তবে পথেই জোহরা বেগম মারা যান বলে জানা গেছে। অপর আহত দুইজনকে প্রথমে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
ঘটনার পর এলাকাবাসী অভিযুক্ত সোহেল মিয়াকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে ফুলছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুরুল হুদার নেতৃত্বে পুলিশ নৌকাযোগে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন