“এসো হে বৈশাখ, এসো এসো…” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নববর্ষ উপলক্ষে এক আনন্দঘন শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করে। রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও ঐতিহ্যবাহী মোটিফে সাজানো শোভাযাত্রা পুরো এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ফুলছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
র্যালি শেষে বুড়াইল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শিল্পীরা গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে পান্তা ভাতের আয়োজন করা হয়, যা উপস্থিত সবার মাঝে ভিন্নমাত্রার আনন্দ যোগ করে।
সমগ্র আয়োজনের মাধ্যমে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।
বিষয় : পহেলা বৈশাখ
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
“এসো হে বৈশাখ, এসো এসো…” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নববর্ষ উপলক্ষে এক আনন্দঘন শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করে। রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও ঐতিহ্যবাহী মোটিফে সাজানো শোভাযাত্রা পুরো এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ফুলছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
র্যালি শেষে বুড়াইল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শিল্পীরা গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে পান্তা ভাতের আয়োজন করা হয়, যা উপস্থিত সবার মাঝে ভিন্নমাত্রার আনন্দ যোগ করে।
সমগ্র আয়োজনের মাধ্যমে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।
.png)
আপনার মতামত লিখুন