বাংলাদেশে হাম ও এই রোগের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। হাম পরিস্থিতি এই পর্যায়ে এলো কেন- তা বের করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচওকে একটি 'স্বাধীন তদন্ত' করার জন্য অনানুষ্ঠানিক অনুরোধ করেছে সরকার। এ বিষয়ে বৈশ্বিক এই সংস্থাটির কাছ থেকে ইতিবাচক জবাব পাওয়া গেছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
"আমরা কাউকে ঢালাও দোষারোপ করতে চাই না বা কাউকে এককভাবে দায়ও নিতে চাই না। তবে ভুলের যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য হাম পরিস্থিতি কেন এমন হলো সেটা জানা দরকার। সেজন্যই একটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনকোয়ারির জন্য ডব্লিওএইচওকে আমরা অনানুষ্ঠানিকভাবে বলেছি। তারাও আগ্রহ দেখিয়েছে," বলছিলেন মি. হায়দার।
যদিও এর আগে ইউনিসেফ ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছিল যে, হাম পরিস্থিতি নিয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে তারা অন্তত পাঁচটি চিঠি দিয়েছিল এবং এছাড়া বিভিন্ন বৈঠকে অন্তত ১০ বার সতর্ক করা হয়েছিল।
তবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য) অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের কাছে তার প্রতিক্রিয়ায় ইউনিসেফের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
প্রসঙ্গত, হামের টিকার স্বল্পতা মোকাবিলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন অভিযোগ করে অনেকেই অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করছেন। হাম উপসর্গে শত শত শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তি দাবি করে ঢাকায় নানা কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন।
বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্তও। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবীর রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্তে কেন কমিশন গঠনের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য সচিব ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সরকার। কেন এত শিশুর মৃত্যু হলো বা এক্ষেত্রে কারও কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
বিবিসি
.png)
রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
বাংলাদেশে হাম ও এই রোগের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। হাম পরিস্থিতি এই পর্যায়ে এলো কেন- তা বের করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচওকে একটি 'স্বাধীন তদন্ত' করার জন্য অনানুষ্ঠানিক অনুরোধ করেছে সরকার। এ বিষয়ে বৈশ্বিক এই সংস্থাটির কাছ থেকে ইতিবাচক জবাব পাওয়া গেছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
"আমরা কাউকে ঢালাও দোষারোপ করতে চাই না বা কাউকে এককভাবে দায়ও নিতে চাই না। তবে ভুলের যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য হাম পরিস্থিতি কেন এমন হলো সেটা জানা দরকার। সেজন্যই একটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনকোয়ারির জন্য ডব্লিওএইচওকে আমরা অনানুষ্ঠানিকভাবে বলেছি। তারাও আগ্রহ দেখিয়েছে," বলছিলেন মি. হায়দার।
যদিও এর আগে ইউনিসেফ ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছিল যে, হাম পরিস্থিতি নিয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে তারা অন্তত পাঁচটি চিঠি দিয়েছিল এবং এছাড়া বিভিন্ন বৈঠকে অন্তত ১০ বার সতর্ক করা হয়েছিল।
তবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য) অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের কাছে তার প্রতিক্রিয়ায় ইউনিসেফের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
প্রসঙ্গত, হামের টিকার স্বল্পতা মোকাবিলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন অভিযোগ করে অনেকেই অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করছেন। হাম উপসর্গে শত শত শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তি দাবি করে ঢাকায় নানা কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন।
বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্তও। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবীর রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্তে কেন কমিশন গঠনের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য সচিব ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সরকার। কেন এত শিশুর মৃত্যু হলো বা এক্ষেত্রে কারও কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
বিবিসি
.png)
আপনার মতামত লিখুন