বিভিন্ন জাতের বাহারি নামের বিদেশি আঙ্গুর চাষে ঝুকে পড়েছ মণিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নার্সারি মালিকরা। নার্সারী মালিকদের এ সমস্ত চাষ দেখে স্থানীয় যুব সমাজের কয়েকজন বানিজ্যিক ভিত্তিতে আঙ্গুর চাষে এগিয়ে এসেছে। চাষকৃত আঙ্গুরে ভালো ফলন পেয়ে অন্যান্যরা শুরু করেছে এ চাষ।
ইতিমধ্যে মণিরামপুর উপজেলার বেশ কয়েকজনের আঙ্গুর চাষের খবর দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়াতে উৎসুক জনতা ভীড় করছে সৌন্দর্য অবলোকন করতে আবার কেউ চাষীর কাছ থেকে নিচ্ছেন পরামর্শ। সাধারণ মানুষের সারিতে দাড়িয়ে মণিরামপুর উপজেলার মাসনা মাদ্রাসার কবর স্থান সংলগ্ন বি,এম এগ্রো ফার্মের আঙ্গুর চাষ পরিদর্শনে যান যশোর ৫(মণিরামপুর) আসনের সংসদ সদস্য এড.গাজী এনামুল হক এমপি।
শুক্রবার (২২শে মে) জুমা’র নামাজের পর শুধুই পরিদর্শন নই,রিতীমতো সোস্যাল মিডিয়া ফেইসবুকে আঙ্গুর চাষের মাচার নিচে দাড়িয়ে নিজের কয়েকটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমাদের দেশে যদি আঙ্গুর চাষ বৃদ্ধি পাই তাহলে নিজেদের ঘাটতি পূরন করে বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত সম্ভব বেকারত্ব দূরীকরণ ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনে চাষীদের সাবলম্বী হওয়ার সুযোগ আছে। এ সময় তার সফর সঙ্গী হিসাবে ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ফজলুল হক সহ বেশ কয়েকজন।
যে সমস্ত চাষীরা মণিরামপুর উপজেলাতে আঙ্গুর চাষ করেছেন,বেশিরভাগ চাষীরা জানান যে একটি ব্যায়বহুল ও অধিক শ্রমের মাধ্যমে আঙ্গুর চাষ করতে হয়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা পেলে এর প্রসার বাড়ানো সম্ভব।
.png)
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
বিভিন্ন জাতের বাহারি নামের বিদেশি আঙ্গুর চাষে ঝুকে পড়েছ মণিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নার্সারি মালিকরা। নার্সারী মালিকদের এ সমস্ত চাষ দেখে স্থানীয় যুব সমাজের কয়েকজন বানিজ্যিক ভিত্তিতে আঙ্গুর চাষে এগিয়ে এসেছে। চাষকৃত আঙ্গুরে ভালো ফলন পেয়ে অন্যান্যরা শুরু করেছে এ চাষ।
ইতিমধ্যে মণিরামপুর উপজেলার বেশ কয়েকজনের আঙ্গুর চাষের খবর দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়াতে উৎসুক জনতা ভীড় করছে সৌন্দর্য অবলোকন করতে আবার কেউ চাষীর কাছ থেকে নিচ্ছেন পরামর্শ। সাধারণ মানুষের সারিতে দাড়িয়ে মণিরামপুর উপজেলার মাসনা মাদ্রাসার কবর স্থান সংলগ্ন বি,এম এগ্রো ফার্মের আঙ্গুর চাষ পরিদর্শনে যান যশোর ৫(মণিরামপুর) আসনের সংসদ সদস্য এড.গাজী এনামুল হক এমপি।
শুক্রবার (২২শে মে) জুমা’র নামাজের পর শুধুই পরিদর্শন নই,রিতীমতো সোস্যাল মিডিয়া ফেইসবুকে আঙ্গুর চাষের মাচার নিচে দাড়িয়ে নিজের কয়েকটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমাদের দেশে যদি আঙ্গুর চাষ বৃদ্ধি পাই তাহলে নিজেদের ঘাটতি পূরন করে বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত সম্ভব বেকারত্ব দূরীকরণ ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনে চাষীদের সাবলম্বী হওয়ার সুযোগ আছে। এ সময় তার সফর সঙ্গী হিসাবে ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ফজলুল হক সহ বেশ কয়েকজন।
যে সমস্ত চাষীরা মণিরামপুর উপজেলাতে আঙ্গুর চাষ করেছেন,বেশিরভাগ চাষীরা জানান যে একটি ব্যায়বহুল ও অধিক শ্রমের মাধ্যমে আঙ্গুর চাষ করতে হয়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা পেলে এর প্রসার বাড়ানো সম্ভব।
.png)
আপনার মতামত লিখুন