বরগুনার বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এক রোগী ওয়ার্ডের টয়লেটে মারা গেছেন। মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মো. তৈয়ব আলী (৬০)। কিছুক্ষণ পর তিনি ওয়ার্ডের টয়লেটে যান। সেখানেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
অন্য রোগীরা কর্তব্যরত নার্সদের বিষয়টি জানালে নার্সরা টয়লেট থেকে ‘দুর্গন্ধ’ বের হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে সেখানে যেতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে অন্য রোগীদের স্বজনরা টয়লেট থেকে তাকে উদ্ধার করে বেডে নিয়ে আসেন। ততক্ষণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার হোসেন রুমন জানান, রোগীর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে (হার্ট অ্যাটাক) মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে দায়িত্বরত নার্স রাজশ্রী বলেন, “খবর পেয়ে সাথে সাথেই আমি সেখানে যাই এবং তাকে উদ্ধার করার জন্য লোকজন নিয়ে আসি।”
ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়্যাদ মোঃ আমরুল্লাহর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
.png)
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
বরগুনার বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এক রোগী ওয়ার্ডের টয়লেটে মারা গেছেন। মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মো. তৈয়ব আলী (৬০)। কিছুক্ষণ পর তিনি ওয়ার্ডের টয়লেটে যান। সেখানেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
অন্য রোগীরা কর্তব্যরত নার্সদের বিষয়টি জানালে নার্সরা টয়লেট থেকে ‘দুর্গন্ধ’ বের হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে সেখানে যেতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে অন্য রোগীদের স্বজনরা টয়লেট থেকে তাকে উদ্ধার করে বেডে নিয়ে আসেন। ততক্ষণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার হোসেন রুমন জানান, রোগীর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে (হার্ট অ্যাটাক) মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে দায়িত্বরত নার্স রাজশ্রী বলেন, “খবর পেয়ে সাথে সাথেই আমি সেখানে যাই এবং তাকে উদ্ধার করার জন্য লোকজন নিয়ে আসি।”
ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়্যাদ মোঃ আমরুল্লাহর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন