রিয়াল মাদ্রিদের হোঁচটের সুযোগটা হাতছাড়া করেনি বার্সেলোনা। কাতালান ডার্বিতে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এস্পানিওলকে ৪-১ গোলে হারিয়ে লা লিগা শিরোপার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল হানসি ফ্লিকের দল।
এই জয়ের ফলে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে রিয়ালের ব্যবধান এখন ৯ পয়েন্ট। মৌসুমের এই পর্যায়ে এসে সেটি নিঃসন্দেহে বড় সুবিধা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে ধীরে ধীরে আক্রমণ সাজায় বার্সেলোনা। এস্পানিওল রক্ষণে গভীর হয়ে খেলার চেষ্টা করলেও চাপটা ধরে রাখতে পারেনি বেশিক্ষণ।
প্রথম গোল আসে সেট পিস থেকে। লামিনে ইয়ামালের নেওয়া কর্নার থেকে হেডে বল জালে জড়ান ফেরান তোরেস। শুরুর দিকেই লিড পাওয়ায় স্বস্তি পায় স্বাগতিকরা।
তবে ম্যাচটা পুরোপুরি একতরফা ছিল না। মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণে ভয় ধরিয়েছে এস্পানিওলও। কিন্তু গোলের সামনে সেই ধার ছিল না।
বার্সেলোনার মাঝমাঠে গাভির উপস্থিতি এদিন পার্থক্য গড়ে দেয়। তার এনার্জি আর বল দখল ফেরানোর ক্ষমতা দলকে বারবার এগিয়ে দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় গাভির বল কাড়ার পর ইয়ামালের নিখুঁত পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ফেরান তোরেস।
বিরতির আগে আরও বড় ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত বার্সেলোনা, কিন্তু গোলরক্ষক দিমিত্রোভিচ কয়েকটি দারুণ সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নাটকীয়তা। খুব অল্প ব্যবধানে অফসাইডের কারণে ফেরানের হ্যাটট্রিক বাতিল হয়। ঠিক পরের মিনিটেই দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত শটে ব্যবধান কমান পল লোসানো।
এই গোলেই কিছুটা চাপে পড়ে বার্সেলোনা। কয়েক মিনিটের জন্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় এস্পানিওলের হাতে।
কিন্তু সেই চাপ বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি বার্সা। মাঝমাঠে বল কাড়ার পর দ্রুত আক্রমণে উঠে গিয়ে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল। প্রায় একক প্রচেষ্টায় করা এই গোলেই ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা নির্ধারিত হয়ে যায়।
শেষ দিকে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে চতুর্থ গোলটি করেন মার্কাস রাশফোর্ড, নিশ্চিত হয় বড় জয়।
সব মিলিয়ে, এই জয় শুধু তিন পয়েন্ট নয়, শিরোপা দৌড়েও বড় বার্তা দিল বার্সেলোনা। এখন বাকি ম্যাচগুলোয় ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলেই লিগ শিরোপা ধরে রাখবে পেদ্রি-ইয়ামালরা।
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
রিয়াল মাদ্রিদের হোঁচটের সুযোগটা হাতছাড়া করেনি বার্সেলোনা। কাতালান ডার্বিতে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এস্পানিওলকে ৪-১ গোলে হারিয়ে লা লিগা শিরোপার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল হানসি ফ্লিকের দল।
এই জয়ের ফলে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে রিয়ালের ব্যবধান এখন ৯ পয়েন্ট। মৌসুমের এই পর্যায়ে এসে সেটি নিঃসন্দেহে বড় সুবিধা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে ধীরে ধীরে আক্রমণ সাজায় বার্সেলোনা। এস্পানিওল রক্ষণে গভীর হয়ে খেলার চেষ্টা করলেও চাপটা ধরে রাখতে পারেনি বেশিক্ষণ।
প্রথম গোল আসে সেট পিস থেকে। লামিনে ইয়ামালের নেওয়া কর্নার থেকে হেডে বল জালে জড়ান ফেরান তোরেস। শুরুর দিকেই লিড পাওয়ায় স্বস্তি পায় স্বাগতিকরা।
তবে ম্যাচটা পুরোপুরি একতরফা ছিল না। মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণে ভয় ধরিয়েছে এস্পানিওলও। কিন্তু গোলের সামনে সেই ধার ছিল না।
বার্সেলোনার মাঝমাঠে গাভির উপস্থিতি এদিন পার্থক্য গড়ে দেয়। তার এনার্জি আর বল দখল ফেরানোর ক্ষমতা দলকে বারবার এগিয়ে দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় গাভির বল কাড়ার পর ইয়ামালের নিখুঁত পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ফেরান তোরেস।
বিরতির আগে আরও বড় ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত বার্সেলোনা, কিন্তু গোলরক্ষক দিমিত্রোভিচ কয়েকটি দারুণ সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নাটকীয়তা। খুব অল্প ব্যবধানে অফসাইডের কারণে ফেরানের হ্যাটট্রিক বাতিল হয়। ঠিক পরের মিনিটেই দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত শটে ব্যবধান কমান পল লোসানো।
এই গোলেই কিছুটা চাপে পড়ে বার্সেলোনা। কয়েক মিনিটের জন্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় এস্পানিওলের হাতে।
কিন্তু সেই চাপ বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি বার্সা। মাঝমাঠে বল কাড়ার পর দ্রুত আক্রমণে উঠে গিয়ে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল। প্রায় একক প্রচেষ্টায় করা এই গোলেই ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা নির্ধারিত হয়ে যায়।
শেষ দিকে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে চতুর্থ গোলটি করেন মার্কাস রাশফোর্ড, নিশ্চিত হয় বড় জয়।
সব মিলিয়ে, এই জয় শুধু তিন পয়েন্ট নয়, শিরোপা দৌড়েও বড় বার্তা দিল বার্সেলোনা। এখন বাকি ম্যাচগুলোয় ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলেই লিগ শিরোপা ধরে রাখবে পেদ্রি-ইয়ামালরা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন