এপ্রিল মাসটি রিয়ালের জন্য যেন এক দুঃস্বপ্নের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। মায়োর্কা ও বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হারের ক্ষত নিয়ে মাঠে নেমেও জিরোনার বাধা টপকাতে পারল না স্প্যানিশ জায়ান্টরা। এই ড্রয়ে লা লিগার শিরোপা লড়াই থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ার উপক্রম লস ব্লাঙ্কোসদের। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা যদি এস্পানিওলকে হারিয়ে দেয়, তবে রিয়ালের চেয়ে তারা এগিয়ে যাবে স্পষ্ট ৯ পয়েন্টে। হাতে থাকা মাত্র সাত ম্যাচে এই ব্যবধান ঘোচানো রিয়ালের জন্য এখন আকাশকুসুম কল্পনা।
ম্যাচের ৫১ মিনিটে ফেদে ভালভার্দের গোলে বার্নাব্যুর গ্যালারিতে প্রাণ ফিরে এসেছিল। লিড নিয়ে রিয়াল যখন জয়ের স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক ১১ মিনিট পরেই জিরোনার টমাস লেমার স্তব্ধ করে দেন স্বাগতিকদের। নিখুঁত ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ১-১ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। এরপর আর কোনো দলই জালের দেখা পায়নি।
ম্যাচের ৮৭ মিনিটে বড় এক বিতর্কের জন্ম দেন রেফারি। জিরোনার ডি-বক্সে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বাজেভাবে ট্যাকল করেন ভিটর রেইস। ফরাসি তারকা মাঠে লুটিয়ে পড়লেও রেফারির বাঁশি বাজেনি। রিপ্লেতে দেখা যায়, রেইসের হাতের আঘাতে এমবাপ্পের কপাল ফেটে রক্ত ঝরছে। কিন্তু ভিএআর (VAR) প্রযুক্তিও এই ঘটনায় নীরব ছিল, যা বার্নাব্যুর দর্শকদের ক্ষোভকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন রিয়াল কোচ আলভারো আরবেলোয়া। তিনি বলেন, “এটি দিনের আলোর মতো পরিষ্কার পেনাল্টি ছিল। আমরা বুঝতে পারছি না ভিএআর আসলে কোন নিয়মে চলে। সেই পুরোনো ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। মায়োর্কাতেও যা হয়েছিল, এখানেও তাই।”
শিরোপা কি তবে হাতছাড়া হয়ে গেল? আরবেলোয়ার উত্তর, “গাণিতিকভাবে সম্ভাবনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি হার মানব না। এটি রিয়াল মাদ্রিদ, আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে শেষ দিন পর্যন্ত।”
রিয়ালের হাতে সময় খুব কম। আগামী বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগ। মিউনিখের মাঠে বায়ার্নকে টপকে সেমিফাইনালে যেতে হলে অতিমানবীয় কিছু করে দেখাতে হবে আরবেলোয়ার শিষ্যদের। এরপর ২১ এপ্রিল লিগে তাদের প্রতিপক্ষ আলাভেস।
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
এপ্রিল মাসটি রিয়ালের জন্য যেন এক দুঃস্বপ্নের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। মায়োর্কা ও বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হারের ক্ষত নিয়ে মাঠে নেমেও জিরোনার বাধা টপকাতে পারল না স্প্যানিশ জায়ান্টরা। এই ড্রয়ে লা লিগার শিরোপা লড়াই থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ার উপক্রম লস ব্লাঙ্কোসদের। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা যদি এস্পানিওলকে হারিয়ে দেয়, তবে রিয়ালের চেয়ে তারা এগিয়ে যাবে স্পষ্ট ৯ পয়েন্টে। হাতে থাকা মাত্র সাত ম্যাচে এই ব্যবধান ঘোচানো রিয়ালের জন্য এখন আকাশকুসুম কল্পনা।
ম্যাচের ৫১ মিনিটে ফেদে ভালভার্দের গোলে বার্নাব্যুর গ্যালারিতে প্রাণ ফিরে এসেছিল। লিড নিয়ে রিয়াল যখন জয়ের স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক ১১ মিনিট পরেই জিরোনার টমাস লেমার স্তব্ধ করে দেন স্বাগতিকদের। নিখুঁত ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ১-১ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। এরপর আর কোনো দলই জালের দেখা পায়নি।
ম্যাচের ৮৭ মিনিটে বড় এক বিতর্কের জন্ম দেন রেফারি। জিরোনার ডি-বক্সে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বাজেভাবে ট্যাকল করেন ভিটর রেইস। ফরাসি তারকা মাঠে লুটিয়ে পড়লেও রেফারির বাঁশি বাজেনি। রিপ্লেতে দেখা যায়, রেইসের হাতের আঘাতে এমবাপ্পের কপাল ফেটে রক্ত ঝরছে। কিন্তু ভিএআর (VAR) প্রযুক্তিও এই ঘটনায় নীরব ছিল, যা বার্নাব্যুর দর্শকদের ক্ষোভকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন রিয়াল কোচ আলভারো আরবেলোয়া। তিনি বলেন, “এটি দিনের আলোর মতো পরিষ্কার পেনাল্টি ছিল। আমরা বুঝতে পারছি না ভিএআর আসলে কোন নিয়মে চলে। সেই পুরোনো ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। মায়োর্কাতেও যা হয়েছিল, এখানেও তাই।”
শিরোপা কি তবে হাতছাড়া হয়ে গেল? আরবেলোয়ার উত্তর, “গাণিতিকভাবে সম্ভাবনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি হার মানব না। এটি রিয়াল মাদ্রিদ, আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে শেষ দিন পর্যন্ত।”
রিয়ালের হাতে সময় খুব কম। আগামী বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগ। মিউনিখের মাঠে বায়ার্নকে টপকে সেমিফাইনালে যেতে হলে অতিমানবীয় কিছু করে দেখাতে হবে আরবেলোয়ার শিষ্যদের। এরপর ২১ এপ্রিল লিগে তাদের প্রতিপক্ষ আলাভেস।
.png)
আপনার মতামত লিখুন