সার্চ টুডে

সার্চটুডে সংবাদ প্রকাশের পর..

‎মণিরামপুর পৌরসভার বন্ধ কাজে ফিরেছে গতি, সন্তুষ্ট ভুক্তভোগীরা!



‎মণিরামপুর পৌরসভার বন্ধ কাজে ফিরেছে গতি, সন্তুষ্ট ভুক্তভোগীরা!
ছবি - সার্চটুডে

চলতি মাসের ১৪ তারিখে পাঠক প্রিয় যশোরের  জনপ্রিয়  সার্চটুডেসহ স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় মণিরামপুর পৌরসভার প্রকৌশলী শাখার বিরুদ্ধে অচল ড্রেন,জ্বলেনা বাতি,পৌরশহরে রাস্তা নির্মানে ধীরগতি সহ কয়েকটি অসংগতির বিষয়ে তথ্যবহুল একটি বৃহৎ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশে নড়েচড়ে বসেছে মণিরামপুর পৌরসভার প্রকৌশলী শাখা ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

‎সংবাদ প্রকাশের জেরে স্থবির থাকা কাজে দ্রুত সময়ে গতি ফিরে আসায় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছে স্থানীয় ব্যাবসায়ী,ভুক্তভোগী বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ । মঙ্গলবার (১৯শে মে) সরেজমিনের তথ্য মোতাবেক, পৌরসভার টেন্ডারকৃত ১৪ কোটি টাকার প্রকল্পের রাস্তা ও ড্রেন নির্মানের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান রয়েল এর তত্বাবধানে পড়ে থাকা পৌরসভা কার্যালয়ের পার্শ রাস্তায় কাজ করতে দেখা গেছে শ্রমীকদের। এছাড়াও কাজ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে দূর্গাপুর ওয়ার্ডের প্রবেশ করা ড্রেনেজ ব্যবস্থার মন্থর প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মোঃ ফয়জুল ইসলাম। কার্যক্রমে মন্থরতা কাটিয়ে সর্বশেষ বৃহৎ প্রকল্পের টেন্ডারকৃত ১৬ কোটি টাকার চলমান কাজেও দেখা গেছে নতুন গতি।


 এদিকে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ২০২২ সালের জলবায়ু প্রকল্পের সোলার লাইট স্থাপনের অকেজো লাইট ও বৈদ্যুতিক লাইট ব্যাবস্থায় গতি না ফিরলেও অভিযোগ পেলে পৌরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সহকারি পৌর প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি জানান, চার বছর আগে জলবায়ু প্রকল্পের ১৬৯টি সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করা হলেও বেশিরভাগই এখন অকেজো। তা বাদেও ৯টি ওয়ার্ডের ৯৩৭টি বৈদ্যুতিক লাইট বসানো হলেও তার মধ্য ১৩৭টি লাইট অকেজো। অকেজো সোলার লাইট ও বৈদ্যুতিক লাইটের সংস্কারের জন্য পৌরসভার নির্দিষ্ট ফান্ডিংয়ে বরাদ্দের ব্যাবস্থা না থাকায় মেরামত সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু সহকারী পৌর প্রকৌশলীর তথ্যে কিছুটা গড়মিল আছে সরেজমিনে, জলবায়ু প্রকল্পের সৌরবিদ্যুত লাইটের ১৬৯টির মধ্য অকেজো ৮০%,অর্থাৎ চলতি এ প্রতিবেদকের কাছে তথ্য আছে ১'শ সৌরবিদ্যুত লাইট পড়ে আছে অন্ধকারে। বাকি কয়েকটাতে মাঝে মাঝে লাইট জ্বলে আর বন্ধ হয়। ৯টি ওয়ার্ডের ৯৩৭টি লাইটের সিংহ ভাগই বিকল। এমনকি পৌরসভার কার্যালয়,ভূমি সহকারি অফিসারের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের ফটক ও বেষ্টনীর চারপাশের লাইট গুলো পড়ে আছে নাম মাত্র লাইট হিসাবে,যার বাস্তবে জ্বলেনা আলো। 


‎তবে এ সমস্ত কিছু ছাপিয়ে পৌর প্রকৌশলী উত্তম মজুমদার জানান, ইতিমধ্য আমারা ছোট ও বড় মিলিয়ে ২শ পিচ লাইট স্টক করেছি যা খুবই দ্রুত প্রতিস্থাপন করা হবে। ১৪ই মে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখিত, মোহনপুর-তাহেরপুর ও মোহনপুর-বিজয়রামপুর ওয়ার্ডের সংযোগস্থলের  বিপদজন ব্রিজ পরিদর্শন এবং এ বিষয়ে নতুন প্রকল্প করে ব্রিজ ২টির মেরামতের আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

‎সেবাদানের বিষয়ে সাধারণ মানুষের সেবায় সকল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে মণিরামপুর পৌরবাসীর সঠিক সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কড়া হুশিয়ার দিয়েছে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রীয় সেবা সকল নাগরিকের অধিকার। যে কোন অসংগতি ও সমস্যার সমাধানকল্পে ২৪ ঘন্টা আমাকে পাশে পাবেন। কোন ধরনের অনিয়ম,অসংগতি পৌর ও উপজেলা কর্তৃপক্ষ বরদাস্ত করবেনা ও সেবার নামে কেউ কোন টালবাহানা করলে অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সার্চ টুডে

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬


‎মণিরামপুর পৌরসভার বন্ধ কাজে ফিরেছে গতি, সন্তুষ্ট ভুক্তভোগীরা!

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

চলতি মাসের ১৪ তারিখে পাঠক প্রিয় যশোরের  জনপ্রিয়  সার্চটুডেসহ স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় মণিরামপুর পৌরসভার প্রকৌশলী শাখার বিরুদ্ধে অচল ড্রেন,জ্বলেনা বাতি,পৌরশহরে রাস্তা নির্মানে ধীরগতি সহ কয়েকটি অসংগতির বিষয়ে তথ্যবহুল একটি বৃহৎ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশে নড়েচড়ে বসেছে মণিরামপুর পৌরসভার প্রকৌশলী শাখা ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

‎সংবাদ প্রকাশের জেরে স্থবির থাকা কাজে দ্রুত সময়ে গতি ফিরে আসায় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছে স্থানীয় ব্যাবসায়ী,ভুক্তভোগী বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ । মঙ্গলবার (১৯শে মে) সরেজমিনের তথ্য মোতাবেক, পৌরসভার টেন্ডারকৃত ১৪ কোটি টাকার প্রকল্পের রাস্তা ও ড্রেন নির্মানের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান রয়েল এর তত্বাবধানে পড়ে থাকা পৌরসভা কার্যালয়ের পার্শ রাস্তায় কাজ করতে দেখা গেছে শ্রমীকদের। এছাড়াও কাজ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে দূর্গাপুর ওয়ার্ডের প্রবেশ করা ড্রেনেজ ব্যবস্থার মন্থর প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মোঃ ফয়জুল ইসলাম। কার্যক্রমে মন্থরতা কাটিয়ে সর্বশেষ বৃহৎ প্রকল্পের টেন্ডারকৃত ১৬ কোটি টাকার চলমান কাজেও দেখা গেছে নতুন গতি।


 এদিকে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ২০২২ সালের জলবায়ু প্রকল্পের সোলার লাইট স্থাপনের অকেজো লাইট ও বৈদ্যুতিক লাইট ব্যাবস্থায় গতি না ফিরলেও অভিযোগ পেলে পৌরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সহকারি পৌর প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি জানান, চার বছর আগে জলবায়ু প্রকল্পের ১৬৯টি সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করা হলেও বেশিরভাগই এখন অকেজো। তা বাদেও ৯টি ওয়ার্ডের ৯৩৭টি বৈদ্যুতিক লাইট বসানো হলেও তার মধ্য ১৩৭টি লাইট অকেজো। অকেজো সোলার লাইট ও বৈদ্যুতিক লাইটের সংস্কারের জন্য পৌরসভার নির্দিষ্ট ফান্ডিংয়ে বরাদ্দের ব্যাবস্থা না থাকায় মেরামত সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু সহকারী পৌর প্রকৌশলীর তথ্যে কিছুটা গড়মিল আছে সরেজমিনে, জলবায়ু প্রকল্পের সৌরবিদ্যুত লাইটের ১৬৯টির মধ্য অকেজো ৮০%,অর্থাৎ চলতি এ প্রতিবেদকের কাছে তথ্য আছে ১'শ সৌরবিদ্যুত লাইট পড়ে আছে অন্ধকারে। বাকি কয়েকটাতে মাঝে মাঝে লাইট জ্বলে আর বন্ধ হয়। ৯টি ওয়ার্ডের ৯৩৭টি লাইটের সিংহ ভাগই বিকল। এমনকি পৌরসভার কার্যালয়,ভূমি সহকারি অফিসারের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের ফটক ও বেষ্টনীর চারপাশের লাইট গুলো পড়ে আছে নাম মাত্র লাইট হিসাবে,যার বাস্তবে জ্বলেনা আলো। 


‎তবে এ সমস্ত কিছু ছাপিয়ে পৌর প্রকৌশলী উত্তম মজুমদার জানান, ইতিমধ্য আমারা ছোট ও বড় মিলিয়ে ২শ পিচ লাইট স্টক করেছি যা খুবই দ্রুত প্রতিস্থাপন করা হবে। ১৪ই মে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখিত, মোহনপুর-তাহেরপুর ও মোহনপুর-বিজয়রামপুর ওয়ার্ডের সংযোগস্থলের  বিপদজন ব্রিজ পরিদর্শন এবং এ বিষয়ে নতুন প্রকল্প করে ব্রিজ ২টির মেরামতের আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

‎সেবাদানের বিষয়ে সাধারণ মানুষের সেবায় সকল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে মণিরামপুর পৌরবাসীর সঠিক সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কড়া হুশিয়ার দিয়েছে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রীয় সেবা সকল নাগরিকের অধিকার। যে কোন অসংগতি ও সমস্যার সমাধানকল্পে ২৪ ঘন্টা আমাকে পাশে পাবেন। কোন ধরনের অনিয়ম,অসংগতি পৌর ও উপজেলা কর্তৃপক্ষ বরদাস্ত করবেনা ও সেবার নামে কেউ কোন টালবাহানা করলে অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সার্চ টুডে

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজাম্মুল হোসেন
বার্তা সম্পাদক: মোঃ হুমায়ূন কবীর
লিগ্যাল এডভাইজার: সৌরভ গাঙ্গুলি
উপদেষ্টা: সাজ্জাদ আলম খান সজল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সার্চটুডে