নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারী শিক্ষার প্রসার ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে “বেগমগঞ্জ মহিলা মহাবিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উদ্যোক্তা কমিটির ৫ম বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আগামী ৩০ মে এক বৃহৎ সুধী সমাবেশ আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
শনিবার ( ৯ মে) সকাল ১০টায় চৌমুহনী টেকনিক্যাল হাইস্কুলের একটি কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উদ্যোক্তা কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিক এ এস এম রিজোয়ান। যৌথ সঞ্চালনায় ছিলেন কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লেখক-সাংবাদিক ও কবি ফারুক আল ফয়সাল এবং সাংবাদিক মোজাম্মেল হোসেন কামাল।
সভায় মহিলা মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সার্বিক অগ্রগতি, স্থান নির্ধারণ, একাডেমিক বাস্তবায়ন কমিটি গঠন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নির্বাচন, অস্থায়ী একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা, পাঠদানের অনুমোদনের আবেদন এবং শিক্ষার্থী সংগ্রহ অভিযান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ের উচ্চবিদ্যালয় ও মাদরাসার প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় শিক্ষা, অর্থ ও তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটি গঠনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যারা কলেজ প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন কার্যক্রমে পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করবেন।
সভায় বক্তারা বলেন, বেগমগঞ্জে একটি নারী শিক্ষাবান্ধব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সময়ের দাবি। এ প্রতিষ্ঠান চালু হলে এলাকার বহু ছাত্রী উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে এবং নারী শিক্ষার প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
সভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাবনা প্রদান করেন উদ্যোক্তা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শিক্ষানুরাগী আবদুস ছাত্তার, লেখক অধ্যাপক ইমরুল মোমিন, যুগ্ম সদস্য সচিব আবু নাছের মামুন, সাংবাদিক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, শিক্ষক লিয়াকত আলী, সাংবাদিক গোলাম মহিউদ্দিন নসু, মাস্টার সফিক উল্যাহ বিএসসি, শিক্ষানুরাগী আবদুল মালেক, মাসুদুর রহমান, নাজিম উদ্দিন শামীম, আনোয়ার হোসেন খানসহ আরও অনেকে।
বক্তারা প্রস্তাবনায় টেকনিক্যাল হাইস্কুলের পুরাতন ভবনকে অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলে ধরেন। একইসঙ্গে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে মতবিনিময় করে দ্রুত পাঠদানের অনুমোদনের আবেদন জানানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নোয়াখালী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কাজী মোহাম্মদ রফিক উল্যাহ, অধ্যক্ষ কুঞ্জলাল কর্মকার, প্রফেসর বিপ্লব কুমার সাহা, অধ্যক্ষ আবুল বশার ও অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদের নাম প্রস্তাব আকারে উঠে আসে। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংসদ সদস্য, শিক্ষক, রাজনীতিক, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, কবি-সাহিত্যিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ নোয়াখালী সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ৩০ মে চৌমুহনী টেকনিক্যাল হাইস্কুলে এক সুধী সমাবেশ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে জেলার শিক্ষক, শিক্ষানুরাগী, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে সভায় জানানো হয়।
.png)
রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারী শিক্ষার প্রসার ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে “বেগমগঞ্জ মহিলা মহাবিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উদ্যোক্তা কমিটির ৫ম বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আগামী ৩০ মে এক বৃহৎ সুধী সমাবেশ আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
শনিবার ( ৯ মে) সকাল ১০টায় চৌমুহনী টেকনিক্যাল হাইস্কুলের একটি কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উদ্যোক্তা কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিক এ এস এম রিজোয়ান। যৌথ সঞ্চালনায় ছিলেন কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লেখক-সাংবাদিক ও কবি ফারুক আল ফয়সাল এবং সাংবাদিক মোজাম্মেল হোসেন কামাল।
সভায় মহিলা মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সার্বিক অগ্রগতি, স্থান নির্ধারণ, একাডেমিক বাস্তবায়ন কমিটি গঠন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নির্বাচন, অস্থায়ী একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা, পাঠদানের অনুমোদনের আবেদন এবং শিক্ষার্থী সংগ্রহ অভিযান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ের উচ্চবিদ্যালয় ও মাদরাসার প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় শিক্ষা, অর্থ ও তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটি গঠনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যারা কলেজ প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন কার্যক্রমে পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করবেন।
সভায় বক্তারা বলেন, বেগমগঞ্জে একটি নারী শিক্ষাবান্ধব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সময়ের দাবি। এ প্রতিষ্ঠান চালু হলে এলাকার বহু ছাত্রী উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে এবং নারী শিক্ষার প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
সভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাবনা প্রদান করেন উদ্যোক্তা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শিক্ষানুরাগী আবদুস ছাত্তার, লেখক অধ্যাপক ইমরুল মোমিন, যুগ্ম সদস্য সচিব আবু নাছের মামুন, সাংবাদিক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, শিক্ষক লিয়াকত আলী, সাংবাদিক গোলাম মহিউদ্দিন নসু, মাস্টার সফিক উল্যাহ বিএসসি, শিক্ষানুরাগী আবদুল মালেক, মাসুদুর রহমান, নাজিম উদ্দিন শামীম, আনোয়ার হোসেন খানসহ আরও অনেকে।
বক্তারা প্রস্তাবনায় টেকনিক্যাল হাইস্কুলের পুরাতন ভবনকে অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলে ধরেন। একইসঙ্গে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে মতবিনিময় করে দ্রুত পাঠদানের অনুমোদনের আবেদন জানানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নোয়াখালী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কাজী মোহাম্মদ রফিক উল্যাহ, অধ্যক্ষ কুঞ্জলাল কর্মকার, প্রফেসর বিপ্লব কুমার সাহা, অধ্যক্ষ আবুল বশার ও অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদের নাম প্রস্তাব আকারে উঠে আসে। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংসদ সদস্য, শিক্ষক, রাজনীতিক, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, কবি-সাহিত্যিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ নোয়াখালী সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ৩০ মে চৌমুহনী টেকনিক্যাল হাইস্কুলে এক সুধী সমাবেশ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে জেলার শিক্ষক, শিক্ষানুরাগী, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে সভায় জানানো হয়।
.png)
আপনার মতামত লিখুন