খুলনা অঞ্চলের পানখালী ফেরিঘাট এলাকায় একটি মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ এনে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিজস্ব সূত্রে জানা যায়, তীব্র গরমে পানি পান করার উদ্দেশ্যে কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিক ওই দোকানে গেলে ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা পানির বোতল থেকে দুর্গন্ধ পান। বিষয়টি দোকান মালিক কামাল শেখকে জানালে তিনি প্রথমে কোনো সদুত্তর দেননি এবং ফ্রিজ খুলতেও অনীহা প্রকাশ করেন। পরে সাংবাদিকরা ফ্রিজ খুলে সেখানে দীর্ঘদিনের পচা মাংস, মাছ ও বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষিত দেখতে পান, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
এ সময় সাংবাদিকরা নিজেদের পরিচয় দিয়ে বিষয়টি ভোক্তা অধিকার সংস্থাকে জানাতে চাইলে দোকান মালিক তার ভুল স্বীকার করেন। তিনি ভবিষ্যতে ফ্রিজে মিষ্টি ছাড়া অন্য কোনো খাবার সংরক্ষণ না করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন। এ সময় বিল পরিশোধ নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও শেষ পর্যন্ত দোকান মালিক ক্ষমা চান এবং এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে আশ্বাস দেন।
তবে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার প্রকৃত সত্যতা যাচাই না করেই ২৪ এপ্রিল দুপুরে কিছু অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিকৃত ও মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা হয়। এতে সাংবাদিকদের মানহানি হয়েছে বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।
সাংবাদিকরা বলেন, জনস্বার্থে কাজ করা এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিষয় তুলে ধরা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। অথচ একটি অসাধু চক্র পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
তারা আরও জানান, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও পোর্টালগুলোকে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন, জনস্বাস্থ্য নিয়ে এমন অবহেলা যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি সত্য উদঘাটনে নিয়োজিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
.png)
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
খুলনা অঞ্চলের পানখালী ফেরিঘাট এলাকায় একটি মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ এনে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিজস্ব সূত্রে জানা যায়, তীব্র গরমে পানি পান করার উদ্দেশ্যে কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিক ওই দোকানে গেলে ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা পানির বোতল থেকে দুর্গন্ধ পান। বিষয়টি দোকান মালিক কামাল শেখকে জানালে তিনি প্রথমে কোনো সদুত্তর দেননি এবং ফ্রিজ খুলতেও অনীহা প্রকাশ করেন। পরে সাংবাদিকরা ফ্রিজ খুলে সেখানে দীর্ঘদিনের পচা মাংস, মাছ ও বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষিত দেখতে পান, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
এ সময় সাংবাদিকরা নিজেদের পরিচয় দিয়ে বিষয়টি ভোক্তা অধিকার সংস্থাকে জানাতে চাইলে দোকান মালিক তার ভুল স্বীকার করেন। তিনি ভবিষ্যতে ফ্রিজে মিষ্টি ছাড়া অন্য কোনো খাবার সংরক্ষণ না করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন। এ সময় বিল পরিশোধ নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও শেষ পর্যন্ত দোকান মালিক ক্ষমা চান এবং এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে আশ্বাস দেন।
তবে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার প্রকৃত সত্যতা যাচাই না করেই ২৪ এপ্রিল দুপুরে কিছু অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিকৃত ও মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা হয়। এতে সাংবাদিকদের মানহানি হয়েছে বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।
সাংবাদিকরা বলেন, জনস্বার্থে কাজ করা এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিষয় তুলে ধরা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। অথচ একটি অসাধু চক্র পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
তারা আরও জানান, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও পোর্টালগুলোকে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন, জনস্বাস্থ্য নিয়ে এমন অবহেলা যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি সত্য উদঘাটনে নিয়োজিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন