ঢাকা   শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সার্চ টুডে

সাংবাদিক সংগঠনগুলোর আল্টিমেটাম

যশোরে শ্যালিকাকাণ্ডে অভিযুক্ত ডা. রাফসানের পাল্টা মামলা: আরজেএফ'র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ



যশোরে শ্যালিকাকাণ্ডে অভিযুক্ত ডা. রাফসানের পাল্টা মামলা: আরজেএফ'র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

যশোরে শ্যালিকাকাণ্ডে অভিযুক্ত ডা. রাফসান জানি কর্তৃক নিজের অপকর্ম ঢাকতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা চাঁদাবাজি' মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রুর‍্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)। সংগঠনটি এই মামলাকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধের চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছে। 

আরজেএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা  চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, যখনই কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির অপকর্ম সংবাদে আসে, তখনই সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করতে চাঁদাবাজির ট্যাগ লাগানো হয়। আমরা ডা. রাফসানের অপকর্মের বিভাগীয় তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চাই। অন্যথায় সারাদেশে আরজেএফ'র সাংবাদিকেরা রাজপথে নামবে।

নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডা. রাফসান জানি যশোর আমলী আদালতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৩৮৯/৩৪ ধারায় মামলা করেছেন। তবে মামলার বিবরণ ও বাস্তবতার মধ্যে একাধিক গুরুতর অমিল পাওয়া গেছে: ৮ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত কথিত হুমকি দেওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে অনেক পরে মামলা করা হয়েছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মামলায় দাবি করা হয়েছে সাংবাদিকদের প্ররোচনায় শ্যালিকা মামলা করেছেন। অথচ ভুক্তভোগী শ্যালিকা নিজেই সংবাদ সম্মেলন করে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন। এজাহারে দাবিকৃত অর্থের পরিমাণ একবার ৩০ হাজার এবং অন্য স্থানে ২০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এই অস্বাভাবিক তারতম্য মামলাটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির

কোনো অডিও, ভিডিও বা লেনদেনের তথ্য ডা. রাফসান আদালতে উপস্থাপন করতে পারেননি। মামলায় অভিযুক্ত সাংবাদিকরা হলেন- দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার আসিফ আকবর সেতু, ডিবিসি নিউজের যশোর জেলা প্রতিনিধি সাকিরুল কবীর রিটন, এশিয়ান টিভির যশোর জেলা প্রতিনিধি হাসিবুর রহমান শামীম, নাগরিক ভাবনার মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি জাকির হোসেন, কলম কথা'র প্রকাশক ও সম্পাদক সুমন চক্রবর্তী, যশোর বার্তার মণিরামপুর প্রতিনিধি এসএম তাজাম্মুল, আব্দুল হাই, দৈনিক ঘোষণার স্টাফ রিপোর্টার নুর ইসলাম নাহিদ, সংবাদ দিগন্তের মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি তহিদুল ইসলাম ও দৈনিক অভয়নগরের ইসমাইল হোসেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভুক্তভোগী নারী নিজেই থানায় গিয়ে অভিযোগ করার পর সাংবাদিকরা তা প্রকাশ করেছেন, যা পেশাগত দায়িত্বের অংশ। 

প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতেই সাংবাদিকদের এই হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানো হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন থাকলেও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল ।

আপনার মতামত লিখুন

সার্চ টুডে

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


যশোরে শ্যালিকাকাণ্ডে অভিযুক্ত ডা. রাফসানের পাল্টা মামলা: আরজেএফ'র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

যশোরে শ্যালিকাকাণ্ডে অভিযুক্ত ডা. রাফসান জানি কর্তৃক নিজের অপকর্ম ঢাকতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা চাঁদাবাজি' মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রুর‍্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)। সংগঠনটি এই মামলাকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধের চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছে। 

আরজেএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা  চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, যখনই কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির অপকর্ম সংবাদে আসে, তখনই সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করতে চাঁদাবাজির ট্যাগ লাগানো হয়। আমরা ডা. রাফসানের অপকর্মের বিভাগীয় তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চাই। অন্যথায় সারাদেশে আরজেএফ'র সাংবাদিকেরা রাজপথে নামবে।

নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডা. রাফসান জানি যশোর আমলী আদালতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৩৮৯/৩৪ ধারায় মামলা করেছেন। তবে মামলার বিবরণ ও বাস্তবতার মধ্যে একাধিক গুরুতর অমিল পাওয়া গেছে: ৮ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত কথিত হুমকি দেওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে অনেক পরে মামলা করা হয়েছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মামলায় দাবি করা হয়েছে সাংবাদিকদের প্ররোচনায় শ্যালিকা মামলা করেছেন। অথচ ভুক্তভোগী শ্যালিকা নিজেই সংবাদ সম্মেলন করে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন। এজাহারে দাবিকৃত অর্থের পরিমাণ একবার ৩০ হাজার এবং অন্য স্থানে ২০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এই অস্বাভাবিক তারতম্য মামলাটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির

কোনো অডিও, ভিডিও বা লেনদেনের তথ্য ডা. রাফসান আদালতে উপস্থাপন করতে পারেননি। মামলায় অভিযুক্ত সাংবাদিকরা হলেন- দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার আসিফ আকবর সেতু, ডিবিসি নিউজের যশোর জেলা প্রতিনিধি সাকিরুল কবীর রিটন, এশিয়ান টিভির যশোর জেলা প্রতিনিধি হাসিবুর রহমান শামীম, নাগরিক ভাবনার মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি জাকির হোসেন, কলম কথা'র প্রকাশক ও সম্পাদক সুমন চক্রবর্তী, যশোর বার্তার মণিরামপুর প্রতিনিধি এসএম তাজাম্মুল, আব্দুল হাই, দৈনিক ঘোষণার স্টাফ রিপোর্টার নুর ইসলাম নাহিদ, সংবাদ দিগন্তের মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি তহিদুল ইসলাম ও দৈনিক অভয়নগরের ইসমাইল হোসেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভুক্তভোগী নারী নিজেই থানায় গিয়ে অভিযোগ করার পর সাংবাদিকরা তা প্রকাশ করেছেন, যা পেশাগত দায়িত্বের অংশ। 

প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতেই সাংবাদিকদের এই হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানো হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন থাকলেও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল ।


সার্চ টুডে

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজাম্মুল হোসেন
বার্তা সম্পাদক: হুমায়ুন কবির সবুজ
লিগ্যাল এডভাইজার: সৌরভ গাঙ্গুলি
উপদেষ্টা: সাজ্জাদ আলম খান সজল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সার্চটুডে