সম্প্রতি সার্চটুডে-এর সঙ্গে আলাপকালে তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতিতে আসা, জুলাই অভ্যুত্থানের সেই রোমহর্ষক দিনগুলো এবং ঢাকা শহর নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
আরিফুল ইসলাম আদিব জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আন্দোলনের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছিলেন। ১৯ জুলাই ইন্টারনেট শাটডাউনের সময় সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কারণে তিনি তৎকালীন প্রশাসনের টার্গেটে পরিণত হন। তিনি বলেন:
র্যাব ও ডিবি আমাকে তিনবার গুম করার চেষ্টা করেছিল। ২৫ জুলাই দিবাগত রাতে প্রায় ৪০ জন সশস্ত্র র্যাব সদস্য আমার অফিসে রেইড দেয়। তারা আমাকে ‘সমন্বয়কদের সমন্বয়ক’ হিসেবে আইডেন্টিফাই করেছিল। সেই দিনগুলো ছিল মৃত্যু আর আতঙ্কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে লড়াই করার মতো।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এই তরুণ নেতা ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও ফলাফল ম্যানিপুলেশন না হলে জনগণের রায় আরও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হতো। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি জুলাই সনদের সংস্কারগুলো এড়িয়ে গিয়ে জাতির সঙ্গে এক ধরনের রাজনৈতিক প্রতারণা করছে। ৭০ শতাংশ মানুষ যেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন চেয়েছে, সেখানে গদি দখলের রাজনীতি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।
মেয়র প্রার্থী হিসেবে আদিব তার পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, তিনি ঢাকাকে ‘পরিকল্পিত, নিরাপদ এবং ইনসাফের নগরী’ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। তার প্রধান পদক্ষেপগুলো হবে:
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে আদিব বলেন, “যে দল নিজের দেশের নাগরিকদের ওপর গণহত্যা চালায়, তাদের রাজনীতি করার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। তারা স্বাধীনতার রক্ষক নয়, বরং শোষকের ভূমিকা পালন করেছে। জুলাইয়ের শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।”
একজন সাংবাদিক ও সংগঠক হিসেবে আদিব বিশ্বাস করেন, তারুণ্যের শক্তি আর অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে ঢাকাকে বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব। তিনি নগরবাসীকে নাগরিক অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
.png)
রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সম্প্রতি সার্চটুডে-এর সঙ্গে আলাপকালে তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতিতে আসা, জুলাই অভ্যুত্থানের সেই রোমহর্ষক দিনগুলো এবং ঢাকা শহর নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
আরিফুল ইসলাম আদিব জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আন্দোলনের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছিলেন। ১৯ জুলাই ইন্টারনেট শাটডাউনের সময় সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কারণে তিনি তৎকালীন প্রশাসনের টার্গেটে পরিণত হন। তিনি বলেন:
র্যাব ও ডিবি আমাকে তিনবার গুম করার চেষ্টা করেছিল। ২৫ জুলাই দিবাগত রাতে প্রায় ৪০ জন সশস্ত্র র্যাব সদস্য আমার অফিসে রেইড দেয়। তারা আমাকে ‘সমন্বয়কদের সমন্বয়ক’ হিসেবে আইডেন্টিফাই করেছিল। সেই দিনগুলো ছিল মৃত্যু আর আতঙ্কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে লড়াই করার মতো।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এই তরুণ নেতা ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও ফলাফল ম্যানিপুলেশন না হলে জনগণের রায় আরও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হতো। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি জুলাই সনদের সংস্কারগুলো এড়িয়ে গিয়ে জাতির সঙ্গে এক ধরনের রাজনৈতিক প্রতারণা করছে। ৭০ শতাংশ মানুষ যেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন চেয়েছে, সেখানে গদি দখলের রাজনীতি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।
মেয়র প্রার্থী হিসেবে আদিব তার পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, তিনি ঢাকাকে ‘পরিকল্পিত, নিরাপদ এবং ইনসাফের নগরী’ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। তার প্রধান পদক্ষেপগুলো হবে:
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে আদিব বলেন, “যে দল নিজের দেশের নাগরিকদের ওপর গণহত্যা চালায়, তাদের রাজনীতি করার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। তারা স্বাধীনতার রক্ষক নয়, বরং শোষকের ভূমিকা পালন করেছে। জুলাইয়ের শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।”
একজন সাংবাদিক ও সংগঠক হিসেবে আদিব বিশ্বাস করেন, তারুণ্যের শক্তি আর অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে ঢাকাকে বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব। তিনি নগরবাসীকে নাগরিক অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
.png)
আপনার মতামত লিখুন