কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে শক্ত অবস্থান জানান দিল ইরান। সম্প্রতি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিজেদের আঞ্চলিক পানিসীমায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা তাদের আইনগত ও নৈতিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
তেহরানের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে চিহ্নিত কোনো জাহাজকে এই জলপথ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না। তবে আন্তর্জাতিক নিয়ম এবং তেহরানের নির্ধারিত নীতিমালা মেনে সাধারণ জাহাজ চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না।
বিবৃতিতে শুধু বর্তমান পরিস্থিতিই নয়, বরং ভবিষ্যতের নিরাপত্তার দিকেও আলোকপাত করা হয়েছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানায়, জাতির নিরাপত্তার ওপর আসা ক্রমাগত হুমকির প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে একটি ‘স্থায়ী ব্যবস্থা’ গড়ে তোলা হবে। যুদ্ধের পরবর্তী পরিস্থিতিতেও এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য।
আন্তর্জাতিক পানিসীমায় জাহাজের চলাচলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত বিধিনিষেধকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ এবং আধুনিক বিশ্বের ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ইরানের মতে, এ ধরনের হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক অস্থিরতার মূল কারণ।
আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে দেশটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলের নিরাপত্তা অবিভাজ্য। যদি ইরানের কোনো বন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হয়, তবে ওই অঞ্চলের অন্য কোনো বন্দরও নিরাপদ থাকবে না। মূলত আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় সমান অংশীদারিত্বের গুরুত্ব বোঝাতেই এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র : আলজাজিরা
বিষয় : ইরান যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে শক্ত অবস্থান জানান দিল ইরান। সম্প্রতি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিজেদের আঞ্চলিক পানিসীমায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা তাদের আইনগত ও নৈতিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
তেহরানের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে চিহ্নিত কোনো জাহাজকে এই জলপথ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না। তবে আন্তর্জাতিক নিয়ম এবং তেহরানের নির্ধারিত নীতিমালা মেনে সাধারণ জাহাজ চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না।
বিবৃতিতে শুধু বর্তমান পরিস্থিতিই নয়, বরং ভবিষ্যতের নিরাপত্তার দিকেও আলোকপাত করা হয়েছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানায়, জাতির নিরাপত্তার ওপর আসা ক্রমাগত হুমকির প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে একটি ‘স্থায়ী ব্যবস্থা’ গড়ে তোলা হবে। যুদ্ধের পরবর্তী পরিস্থিতিতেও এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য।
আন্তর্জাতিক পানিসীমায় জাহাজের চলাচলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত বিধিনিষেধকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ এবং আধুনিক বিশ্বের ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ইরানের মতে, এ ধরনের হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক অস্থিরতার মূল কারণ।
আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে দেশটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলের নিরাপত্তা অবিভাজ্য। যদি ইরানের কোনো বন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হয়, তবে ওই অঞ্চলের অন্য কোনো বন্দরও নিরাপদ থাকবে না। মূলত আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় সমান অংশীদারিত্বের গুরুত্ব বোঝাতেই এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র : আলজাজিরা
.png)
আপনার মতামত লিখুন