লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’ সত্ত্বেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে হামলার মাত্রা আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।
শনিবার (২৩ মে) একদিনেই দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৪০টি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এসব হামলায় কয়েকজন নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।
এদিন ড্রোন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রে এক সিরীয় নাগরিক নিহত হন। পৃথক আরেকটি ড্রোন হামলায় প্রাণ হারান এক তরুণ লেবানিজ। এছাড়া আরব সালিম শহরে চালানো বিমান হামলায় আরও হতাহতের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলার পর উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সেখানে আবারও হামলা চালানো হয়। এতে এক প্যারামেডিক নিহত হন।
দক্ষিণ লেবাননের চলমান পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে। অনেকেই এখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। নিজেদের বাড়িঘরের কাছাকাছি থেকে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করবেন, নাকি দীর্ঘমেয়াদি বাস্তুচ্যুত অবস্থায় অন্যত্র থাকবেন এ নিয়ে দোটানায় দিন কাটছে অনেকেরই।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে মনে করছেন, ইসরায়েল, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য কোনো সমঝোতা হলেও তা দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতিতে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না।
তাদের মতে, ইসরায়েলের ওপর কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি না হলে এসব হামলা বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কম। বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননের অন্তত ৫৫টি শহর ও গ্রাম ইসরায়েলি দখলে রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। চলমান সংঘাতে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এছাড়া ২০২৪ সালের যুদ্ধের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এখনও সংগ্রাম করছেন অনেক বাসিন্দা।
.png)
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’ সত্ত্বেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে হামলার মাত্রা আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।
শনিবার (২৩ মে) একদিনেই দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৪০টি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এসব হামলায় কয়েকজন নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।
এদিন ড্রোন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রে এক সিরীয় নাগরিক নিহত হন। পৃথক আরেকটি ড্রোন হামলায় প্রাণ হারান এক তরুণ লেবানিজ। এছাড়া আরব সালিম শহরে চালানো বিমান হামলায় আরও হতাহতের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলার পর উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সেখানে আবারও হামলা চালানো হয়। এতে এক প্যারামেডিক নিহত হন।
দক্ষিণ লেবাননের চলমান পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে। অনেকেই এখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। নিজেদের বাড়িঘরের কাছাকাছি থেকে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করবেন, নাকি দীর্ঘমেয়াদি বাস্তুচ্যুত অবস্থায় অন্যত্র থাকবেন এ নিয়ে দোটানায় দিন কাটছে অনেকেরই।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে মনে করছেন, ইসরায়েল, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য কোনো সমঝোতা হলেও তা দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতিতে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না।
তাদের মতে, ইসরায়েলের ওপর কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি না হলে এসব হামলা বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কম। বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননের অন্তত ৫৫টি শহর ও গ্রাম ইসরায়েলি দখলে রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। চলমান সংঘাতে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এছাড়া ২০২৪ সালের যুদ্ধের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এখনও সংগ্রাম করছেন অনেক বাসিন্দা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন