বর্ষার আগমনী বার্তার সঙ্গেই বাড়ে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার আতঙ্ক। তবে এবার শুধু সচেতনতার বাণী ছড়িয়ে ক্ষান্ত না থেকে, সরাসরি মাঠে নেমে কাজের নজির সৃষ্টি করলো যশোর। শহরের ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার প্রকোপ শূন্যে নামিয়ে আনার প্রত্যয় নিয়ে যশোর পৌর এলাকায় শুরু হয়েছে এক ব্যতিক্রমী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান।
শনিবার সকালে চিরচেনা প্রটোকল ভেঙে যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির পুকুরে নেমে এই অভিযানের সূচনা করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। উদ্বোধকের এই সরাসরি অংশগ্রহণ উপস্থিত সাধারণ মানুষকেও উদ্বুদ্ধ করে।
অভিযান শুরুর প্রাক্কালে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বার্তা দেন। তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি এবং ডেঙ্গু-চিকনগুনিয়ার বিস্তার কঠোরভাবে দমন করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি সপ্তাহের শনিবার দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই ‘ক্লিন স্যাটারডে’ বা পরিচ্ছন্ন শনিবারের মিশন বাস্তবায়নেই আজ গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছে যশোর পৌর এলাকা।
বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এই কার্যক্রমের স্থায়িত্ব নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, "আজ ছবি তুলে কালই যেন এই কার্যক্রম বন্ধ না হয়ে যায়। এটিকে কোনো আনুষ্ঠানিকতার মোড়কে আটকে রাখা যাবে না।" পরিচ্ছন্নতাকে একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে জারি রাখতে তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারি উদ্যোগ তখনই সফল হবে যখন প্রতিটি পরিবার তাদের বাড়ির চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখবে।
যশোর জেলা প্রশাসন ও যশোর পৌরসভার সার্বিক সহযোগিতায় এই সময়োপযোগী কর্মসূচির আয়োজন করে ঐতিহ্যবাহী সামাজিক প্রতিষ্ঠান ‘যশোর ইনস্টিটিউট’।
যশোরে মশক নিধনের এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্ব এক মঞ্চে শামিল হয়েছিলেন। অভিযানে উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করেন: যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, যশোর ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এ জেড এম সালেক, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, যশোর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী বি এম কামাল আহমেদসহ আরও অনেকে।
পৌর কর্তৃপক্ষের আশা, এই সমন্বিত উদ্যোগ ও প্রতি শনিবারের নিয়মিত অভিযান যশোরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
.png)
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
বর্ষার আগমনী বার্তার সঙ্গেই বাড়ে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার আতঙ্ক। তবে এবার শুধু সচেতনতার বাণী ছড়িয়ে ক্ষান্ত না থেকে, সরাসরি মাঠে নেমে কাজের নজির সৃষ্টি করলো যশোর। শহরের ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার প্রকোপ শূন্যে নামিয়ে আনার প্রত্যয় নিয়ে যশোর পৌর এলাকায় শুরু হয়েছে এক ব্যতিক্রমী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান।
শনিবার সকালে চিরচেনা প্রটোকল ভেঙে যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির পুকুরে নেমে এই অভিযানের সূচনা করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। উদ্বোধকের এই সরাসরি অংশগ্রহণ উপস্থিত সাধারণ মানুষকেও উদ্বুদ্ধ করে।
অভিযান শুরুর প্রাক্কালে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বার্তা দেন। তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি এবং ডেঙ্গু-চিকনগুনিয়ার বিস্তার কঠোরভাবে দমন করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি সপ্তাহের শনিবার দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই ‘ক্লিন স্যাটারডে’ বা পরিচ্ছন্ন শনিবারের মিশন বাস্তবায়নেই আজ গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছে যশোর পৌর এলাকা।
বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এই কার্যক্রমের স্থায়িত্ব নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, "আজ ছবি তুলে কালই যেন এই কার্যক্রম বন্ধ না হয়ে যায়। এটিকে কোনো আনুষ্ঠানিকতার মোড়কে আটকে রাখা যাবে না।" পরিচ্ছন্নতাকে একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে জারি রাখতে তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারি উদ্যোগ তখনই সফল হবে যখন প্রতিটি পরিবার তাদের বাড়ির চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখবে।
যশোর জেলা প্রশাসন ও যশোর পৌরসভার সার্বিক সহযোগিতায় এই সময়োপযোগী কর্মসূচির আয়োজন করে ঐতিহ্যবাহী সামাজিক প্রতিষ্ঠান ‘যশোর ইনস্টিটিউট’।
যশোরে মশক নিধনের এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্ব এক মঞ্চে শামিল হয়েছিলেন। অভিযানে উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করেন: যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, যশোর ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এ জেড এম সালেক, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, যশোর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী বি এম কামাল আহমেদসহ আরও অনেকে।
পৌর কর্তৃপক্ষের আশা, এই সমন্বিত উদ্যোগ ও প্রতি শনিবারের নিয়মিত অভিযান যশোরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন