পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনার প্রথম দফার বৈঠক শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ১১ মিনিটে এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তিনি। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। পোস্টে নেতানিয়াহু লেখেন, ইসরায়েল ইরানের সন্ত্রাসী শাসন এবং তার অনুচরদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে।
তুর্কি প্রেসিডেন্টের কঠোর সমালোচনা করে তিনি লেখেন, এরদোয়ান ইরানকে ‘সহযোগিতা’ করছেন। শুধু তাই নয়, তুরস্কের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, এরদোয়ান নিজেই কুর্দি নাগরিকদের ওপর ‘গণহত্যা’ চালানোর জন্য দায়ী।
এদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সংঘাত নিরসনে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রথম পর্বের শান্তি আলোচনা ইতিবাচক পরিবেশে শেষ হয়েছে। দীর্ঘ সময় বৈঠকের পর নৈশ্যভোজের বিরতি দেওয়া হয়েছে।
ইসলামাবাদের বিলাসবহুল পাঁচ তারকা সেরেনা হোটেলে অনুষ্ঠিত হওয়া আলোচনার এই দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে আখ্যা দিয়েছে আলজাজিরা।
শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী থেকে সংবাদমাধ্যমটি প্রতিনিধি জানায়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আলোচনা করার পর সংক্ষিপ্ত বিরতি নিয়েছে। নৈশভোজের পর আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
কাতারভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যমটি বলছে, আজকের দিনটি ঐতিহাসিক। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর এই প্রথম ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে মুখোমুখি আলোচনার টেবিলে বসেছেন। আলোচনাটি দুই ঘণ্টার কিছু কম সময় ধরে চলেছিল। সূত্রমতে, ইতিবাচক পরিবেশে আলোচনার প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, প্রতিনিধিদলের মধ্যে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু অমীমাংসিত বিষয়ও রয়েছে। লেবাননে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিষয়েও কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। ইসরায়েলের অভিযান এখন দক্ষিণে লেবাননেই সীমাবদ্ধ থাকবে। দেশটির রাজধানী বৈরুতে আর কোনো হামলা হবে না।
পাকিস্তানি সূত্রের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তাসহ মৌলিক শর্তগুলোর বিষয়ে কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও যুদ্ধবিরতির বিষয়ে এখনও সমঝোতা হয়নি। দক্ষিণ লেবাননে হামলা সীমিত রাখার বিষয়ে একটি সম্ভাব্য বোঝাপড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা আলোচনায় কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়।
https://x.com/netanyahu/status/2043014018680422825?s=20
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনার প্রথম দফার বৈঠক শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ১১ মিনিটে এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তিনি। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। পোস্টে নেতানিয়াহু লেখেন, ইসরায়েল ইরানের সন্ত্রাসী শাসন এবং তার অনুচরদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে।
তুর্কি প্রেসিডেন্টের কঠোর সমালোচনা করে তিনি লেখেন, এরদোয়ান ইরানকে ‘সহযোগিতা’ করছেন। শুধু তাই নয়, তুরস্কের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, এরদোয়ান নিজেই কুর্দি নাগরিকদের ওপর ‘গণহত্যা’ চালানোর জন্য দায়ী।
এদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সংঘাত নিরসনে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রথম পর্বের শান্তি আলোচনা ইতিবাচক পরিবেশে শেষ হয়েছে। দীর্ঘ সময় বৈঠকের পর নৈশ্যভোজের বিরতি দেওয়া হয়েছে।
ইসলামাবাদের বিলাসবহুল পাঁচ তারকা সেরেনা হোটেলে অনুষ্ঠিত হওয়া আলোচনার এই দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে আখ্যা দিয়েছে আলজাজিরা।
শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী থেকে সংবাদমাধ্যমটি প্রতিনিধি জানায়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আলোচনা করার পর সংক্ষিপ্ত বিরতি নিয়েছে। নৈশভোজের পর আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
কাতারভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যমটি বলছে, আজকের দিনটি ঐতিহাসিক। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর এই প্রথম ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে মুখোমুখি আলোচনার টেবিলে বসেছেন। আলোচনাটি দুই ঘণ্টার কিছু কম সময় ধরে চলেছিল। সূত্রমতে, ইতিবাচক পরিবেশে আলোচনার প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, প্রতিনিধিদলের মধ্যে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু অমীমাংসিত বিষয়ও রয়েছে। লেবাননে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিষয়েও কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। ইসরায়েলের অভিযান এখন দক্ষিণে লেবাননেই সীমাবদ্ধ থাকবে। দেশটির রাজধানী বৈরুতে আর কোনো হামলা হবে না।
পাকিস্তানি সূত্রের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তাসহ মৌলিক শর্তগুলোর বিষয়ে কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও যুদ্ধবিরতির বিষয়ে এখনও সমঝোতা হয়নি। দক্ষিণ লেবাননে হামলা সীমিত রাখার বিষয়ে একটি সম্ভাব্য বোঝাপড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা আলোচনায় কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়।
https://x.com/netanyahu/status/2043014018680422825?s=20
.png)
আপনার মতামত লিখুন