মেকআপ আর্টিস্ট নাহিদ আহমেদের পথচলা শুরু ছোটবেলার স্বপ্ন থেকে।
খুব অল্প বয়স থেকেই সাজগোজ আর মেকআপের জগৎ তাকে টানত। অন্যরা যেখানে এটাকে শখ হিসেবে দেখেছে, নাহিদ সেখানে দেখেছেন নিজের ভবিষ্যৎ। নাহিদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার বিক্রমপুরে।
বেশিরভাগ মানুষেরই মা হয় একজন, কিন্তু নাহিদের মা দুজন। তার জন্ম মালয়েশিয়ায় হলেও ছোটবেলা থেকেই তিনি তার বড় মায়ের কাছে বড় হয়েছেন ঢাকায়।
তার বাবা ব্যবসার কাজে মালয়েশিয়ায় থাকেন। তিন ভাই–বোনের মধ্যে নাহিদ মেজো; দুই ভাই ও এক বোন নিয়ে তাদের পরিবার।
সন্তান হল মায়ের নাড়িছেঁড়া ধন। একজন সন্তানকে তিল তিল করে বড় করতে গিয়ে মাকে বিসর্জন দিতে হয় নিজের অনেক সুখ- দুঃখ। ঘাম আর শ্রমে বোনা সেই স্বপ্নের জাল যখন বাস্তবে রূপ নেয়, তখন মায়ের চেয়ে সুখী আর কেউ হয় না। কিন্তু আধুনিক সময়ে কজন সন্তান পারে মায়ের সেই মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে? কেউ হয়তো স্মৃতির পাতায় হারিয়ে যায়, আবার কেউবা হয়ে ওঠে গর্বের প্রতীক। ১০ মে বিশ্ব মা দিবস।
আর এই দিনটিকে ঘিরে নিজের অনুভূতির কথা শেয়ার করলেন মেকআপ আর্টিস্ট নাহিদ। বড় মায়ের আদর ভালবাসা স্নেহে বড় হওয়া নাহিদের গল্প শুধু মাকেই ঘিরে।
নাহিদের বড়-মা তাকে পড়ালেখা করা, মানুষের মতো মানুষ করার লক্ষ্য নিয়ে ছোট থেকে বড় করেছেন। নাহিদ পরিবারের সবাইকে ভালোবাসলেও তার বড় মাকে আলাদাভাবে তিনি সবচেয়ে সবসময় বেশি ভালোবাসেন।
আজ আমি নাহিদ আহমেদ যে কাজগুলো করছি বা করার স্বপ্ন দেখছি, তার সবটুকুর শেকড় লুকিয়ে আছে মায়ের প্রেরণায়। মা আমার কাছে শুধু একজন জন্মদাত্রী নন, তিনি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ মেন্টর এবং পরম নির্ভরযোগ্য এক আশ্রয়। মা দিবসের এই বিশেষ লগ্নে আমি গর্বের সাথে বলতে চাই, আমার প্রতিটি কাজের মায়ের দোয়া মিশে আছে। তিনি আমার ছায়া, আমার সাহস এবং আমার এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র শক্তি।
.png)
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
মেকআপ আর্টিস্ট নাহিদ আহমেদের পথচলা শুরু ছোটবেলার স্বপ্ন থেকে।
খুব অল্প বয়স থেকেই সাজগোজ আর মেকআপের জগৎ তাকে টানত। অন্যরা যেখানে এটাকে শখ হিসেবে দেখেছে, নাহিদ সেখানে দেখেছেন নিজের ভবিষ্যৎ। নাহিদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার বিক্রমপুরে।
বেশিরভাগ মানুষেরই মা হয় একজন, কিন্তু নাহিদের মা দুজন। তার জন্ম মালয়েশিয়ায় হলেও ছোটবেলা থেকেই তিনি তার বড় মায়ের কাছে বড় হয়েছেন ঢাকায়।
তার বাবা ব্যবসার কাজে মালয়েশিয়ায় থাকেন। তিন ভাই–বোনের মধ্যে নাহিদ মেজো; দুই ভাই ও এক বোন নিয়ে তাদের পরিবার।
সন্তান হল মায়ের নাড়িছেঁড়া ধন। একজন সন্তানকে তিল তিল করে বড় করতে গিয়ে মাকে বিসর্জন দিতে হয় নিজের অনেক সুখ- দুঃখ। ঘাম আর শ্রমে বোনা সেই স্বপ্নের জাল যখন বাস্তবে রূপ নেয়, তখন মায়ের চেয়ে সুখী আর কেউ হয় না। কিন্তু আধুনিক সময়ে কজন সন্তান পারে মায়ের সেই মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে? কেউ হয়তো স্মৃতির পাতায় হারিয়ে যায়, আবার কেউবা হয়ে ওঠে গর্বের প্রতীক। ১০ মে বিশ্ব মা দিবস।
আর এই দিনটিকে ঘিরে নিজের অনুভূতির কথা শেয়ার করলেন মেকআপ আর্টিস্ট নাহিদ। বড় মায়ের আদর ভালবাসা স্নেহে বড় হওয়া নাহিদের গল্প শুধু মাকেই ঘিরে।
নাহিদের বড়-মা তাকে পড়ালেখা করা, মানুষের মতো মানুষ করার লক্ষ্য নিয়ে ছোট থেকে বড় করেছেন। নাহিদ পরিবারের সবাইকে ভালোবাসলেও তার বড় মাকে আলাদাভাবে তিনি সবচেয়ে সবসময় বেশি ভালোবাসেন।
আজ আমি নাহিদ আহমেদ যে কাজগুলো করছি বা করার স্বপ্ন দেখছি, তার সবটুকুর শেকড় লুকিয়ে আছে মায়ের প্রেরণায়। মা আমার কাছে শুধু একজন জন্মদাত্রী নন, তিনি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ মেন্টর এবং পরম নির্ভরযোগ্য এক আশ্রয়। মা দিবসের এই বিশেষ লগ্নে আমি গর্বের সাথে বলতে চাই, আমার প্রতিটি কাজের মায়ের দোয়া মিশে আছে। তিনি আমার ছায়া, আমার সাহস এবং আমার এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র শক্তি।
.png)
আপনার মতামত লিখুন