জলবায়ু পরিবর্তন ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এক অনন্য উদ্ভাবন নিয়ে বিশ্বজয় করলেন সেন্ট ওলাফ কলেজের বাংলাদেশি ছাত্র। সান ডিয়েগো ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত 'ফাউলার গ্লোবাল সোশ্যাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ'-এ প্রথম পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তিনি।
বিশ্বের ২৫টি দেশের উদ্ভাবকদের পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করা এই প্রকল্পটি সামাজিক পরিবর্তনের এক নতুন বার্তা দিচ্ছে। চূড়ান্ত পর্বে বিচারকদের নজর কাড়ে তার তৈরি বিশেষায়িত প্রস্থেটিক ডিভাইস, যা মূলত দক্ষিণ এশিয়ার নিম্ন আয়ের এবং ভৌগোলিক প্রতিকূলতার শিকার মানুষের চলাফেরায় আমূল পরিবর্তন আনতে সক্ষম।
বিজয়ী শিক্ষার্থী জানান, তার তৈরি 'অ্যাপেক্স স্ট্রাইড' একটি সামাজিক উদ্যোগ হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে এমন প্রযুক্তি তৈরি করা হচ্ছে যা আর্দ্রতা বা পানির সংস্পর্শে নষ্ট হবে না এবং অসমতল পথেও টেকসই হবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার মতো অঞ্চলে প্রস্থেটিক ডিভাইসের সহজলভ্যতা এবং স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।
পুরস্কার গ্রহণের পর তিনি জানান, এই অর্জন বাংলাদেশের জন্য একটি মাইলফলক। বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী উদ্যোক্তা রন ফাউলারের হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের অদম্য মেধারই প্রতিফলন।
বর্তমানে সান ডিয়েগোতে অবস্থানরত এই উদ্ভাবকের সাক্ষাৎকার ইতোমধ্যে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচারিত হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই ২৫,০০০ ডলারের পুরস্কার বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
.png)
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
জলবায়ু পরিবর্তন ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এক অনন্য উদ্ভাবন নিয়ে বিশ্বজয় করলেন সেন্ট ওলাফ কলেজের বাংলাদেশি ছাত্র। সান ডিয়েগো ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত 'ফাউলার গ্লোবাল সোশ্যাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ'-এ প্রথম পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তিনি।
বিশ্বের ২৫টি দেশের উদ্ভাবকদের পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করা এই প্রকল্পটি সামাজিক পরিবর্তনের এক নতুন বার্তা দিচ্ছে। চূড়ান্ত পর্বে বিচারকদের নজর কাড়ে তার তৈরি বিশেষায়িত প্রস্থেটিক ডিভাইস, যা মূলত দক্ষিণ এশিয়ার নিম্ন আয়ের এবং ভৌগোলিক প্রতিকূলতার শিকার মানুষের চলাফেরায় আমূল পরিবর্তন আনতে সক্ষম।
বিজয়ী শিক্ষার্থী জানান, তার তৈরি 'অ্যাপেক্স স্ট্রাইড' একটি সামাজিক উদ্যোগ হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে এমন প্রযুক্তি তৈরি করা হচ্ছে যা আর্দ্রতা বা পানির সংস্পর্শে নষ্ট হবে না এবং অসমতল পথেও টেকসই হবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার মতো অঞ্চলে প্রস্থেটিক ডিভাইসের সহজলভ্যতা এবং স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।
পুরস্কার গ্রহণের পর তিনি জানান, এই অর্জন বাংলাদেশের জন্য একটি মাইলফলক। বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী উদ্যোক্তা রন ফাউলারের হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের অদম্য মেধারই প্রতিফলন।
বর্তমানে সান ডিয়েগোতে অবস্থানরত এই উদ্ভাবকের সাক্ষাৎকার ইতোমধ্যে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচারিত হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই ২৫,০০০ ডলারের পুরস্কার বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন