বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি স্কুল এন্ড কলেজের ৮ জন শিক্ষার্থী বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আজ বুধবার আনুমানিক দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে অসুস্থ শিক্ষার্থীরা বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্কুল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে ক্লাসে থাকা শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এসময় ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির আটজন ছাত্রী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে এবং শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে স্কুলের শিক্ষক, সহপাঠী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ফুলঝুড়ি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত তাদের বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো:
১. কারিমা (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- মোঃ লিটন।
২. জান্নাতি (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- আবুল কালাম।
৩. রিয়া মনি (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- মো সুমন হাওলাদার।
৪. মরিয়ম (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- আনিসুর রহমান।
৫. ইয়াসমিন (৭ম শ্রেণি), পিতা- মোঃ খলিল।
৬. রিয়া মনি (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- মোঃ হিমু।
৭. সামিরা (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- রফিকুল ইসলাম।
৮. আমেনা (৭ম শ্রেণি), পিতা- নান্টু মৃধা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। আতঙ্কের কারণে তাদের মানসিক ও শারীরিক শক লেগেছিল, তবে বর্তমানে তারা আগের চেয়ে আশঙ্কামুক্ত এবং অবস্থার উন্নতির দিকে।
স্কুলের এক শিক্ষক জানান, বজ্রপাতের শব্দ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে শিক্ষার্থীরা ভয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্থানীয়রা ও প্রাক্তন ছাত্ররা দ্রুত এগিয়ে আসায় তাদের সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। অভিভাবকরা বর্তমানে হাসপাতালে সন্তানদের পাশে রয়েছেন।
.png)
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি স্কুল এন্ড কলেজের ৮ জন শিক্ষার্থী বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আজ বুধবার আনুমানিক দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে অসুস্থ শিক্ষার্থীরা বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্কুল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে ক্লাসে থাকা শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এসময় ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির আটজন ছাত্রী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে এবং শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে স্কুলের শিক্ষক, সহপাঠী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ফুলঝুড়ি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত তাদের বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো:
১. কারিমা (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- মোঃ লিটন।
২. জান্নাতি (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- আবুল কালাম।
৩. রিয়া মনি (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- মো সুমন হাওলাদার।
৪. মরিয়ম (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- আনিসুর রহমান।
৫. ইয়াসমিন (৭ম শ্রেণি), পিতা- মোঃ খলিল।
৬. রিয়া মনি (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- মোঃ হিমু।
৭. সামিরা (৬ষ্ঠ শ্রেণি), পিতা- রফিকুল ইসলাম।
৮. আমেনা (৭ম শ্রেণি), পিতা- নান্টু মৃধা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। আতঙ্কের কারণে তাদের মানসিক ও শারীরিক শক লেগেছিল, তবে বর্তমানে তারা আগের চেয়ে আশঙ্কামুক্ত এবং অবস্থার উন্নতির দিকে।
স্কুলের এক শিক্ষক জানান, বজ্রপাতের শব্দ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে শিক্ষার্থীরা ভয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্থানীয়রা ও প্রাক্তন ছাত্ররা দ্রুত এগিয়ে আসায় তাদের সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। অভিভাবকরা বর্তমানে হাসপাতালে সন্তানদের পাশে রয়েছেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন