সরেজমিনে দেখা গেছে, জোয়ারের পানি ও ঝোড়ো বাতাসের প্রভাবে নদীর উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফেরিঘাটের পল্টুন ও সংযোগ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। যাত্রীদের হাঁটু সমান কাদা-পানি মাড়িয়ে ফেরিতে উঠতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু এবং বয়স্কদের জন্য এই পথ পাড়ি দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেককে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিচ্ছিল পথ ও প্লাবিত এলাকা পার হতে দেখা গেছে।
দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত এই ঘাটটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত যানবাহন পারাপার হয়। এই অঞ্চলের উৎপাদিত কৃষি পণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল বাজারজাতকরণের প্রধান রুট এটি। কিন্তু বর্তমানে পানির তোড়ে ঘাট এলাকা নাজুক হয়ে পড়ায় পণ্যবাহী ট্রাক ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় অর্থনীতিতে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) নির্দিষ্ট সময় পর পর ঘাট মেরামত করলেও তা কেবল সাময়িক স্বস্তি দেয়। বর্ষা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এলেই ঘাটটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। কালবৈশাখীর আকস্মিকতায় পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় এবারও তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী যাত্রী ও চালকদের একটাই দাবি—প্রতিবার মেরামতের নামে তালি না দিয়ে এবার যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থায়ী কোনো সমাধান বা আধুনিক মানসম্মত ঘাট নির্মাণ করা হয়। তা না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
.png)
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সরেজমিনে দেখা গেছে, জোয়ারের পানি ও ঝোড়ো বাতাসের প্রভাবে নদীর উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফেরিঘাটের পল্টুন ও সংযোগ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। যাত্রীদের হাঁটু সমান কাদা-পানি মাড়িয়ে ফেরিতে উঠতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু এবং বয়স্কদের জন্য এই পথ পাড়ি দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেককে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিচ্ছিল পথ ও প্লাবিত এলাকা পার হতে দেখা গেছে।
দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত এই ঘাটটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত যানবাহন পারাপার হয়। এই অঞ্চলের উৎপাদিত কৃষি পণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল বাজারজাতকরণের প্রধান রুট এটি। কিন্তু বর্তমানে পানির তোড়ে ঘাট এলাকা নাজুক হয়ে পড়ায় পণ্যবাহী ট্রাক ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় অর্থনীতিতে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) নির্দিষ্ট সময় পর পর ঘাট মেরামত করলেও তা কেবল সাময়িক স্বস্তি দেয়। বর্ষা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এলেই ঘাটটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। কালবৈশাখীর আকস্মিকতায় পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় এবারও তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী যাত্রী ও চালকদের একটাই দাবি—প্রতিবার মেরামতের নামে তালি না দিয়ে এবার যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থায়ী কোনো সমাধান বা আধুনিক মানসম্মত ঘাট নির্মাণ করা হয়। তা না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন