ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় কূটনৈতিক সাফল্যের আভাস দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে দুই পক্ষের মধ্যে এখনো গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য রয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর বিবিসির।
ওয়াশিংটন থেকে বিবিসির সংবাদদাতা সিমি জোলাওসো জানান, ট্রাম্প আজ সারাদিনই ইরান ইস্যুতে ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি দাবি করেছেন, তেহরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যাকে তিনি “নিউক্লিয়ার ডাস্ট” বলে উল্লেখ করেছেন—হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র এই উপাদান সংগ্রহ করে নিজেদের দেশে নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এর বিনিময়ে ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে তিনি রাজি হননি।
এ ধরনের শর্তগুলো ইরানের জন্য বড় ধরনের ছাড় হিসেবে বিবেচিত, কারণ আগের আলোচনায় এসব বিষয়ই ছিল প্রধান বিরোধের কারণ। তবে ট্রাম্পের এই আশাবাদকে অকালপক্ক বলা হচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানোর ধারণা সরাসরি নাকচ করেছেন।
ফলে ট্রাম্প কূটনৈতিক সাফল্যের ইঙ্গিত দিলেও বাস্তবে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়ে গেছে। এদিকে ট্রাম্পের সাম্প্রতিব সকল দাবিগুলোকেই মিথ্যা বলে আখ্যা দিয়েছেন ইরানের স্পিকার বাঘের গালিবাফ।
কূটনীতি টিকে থাকবে কিনা, নাকি সংঘাত পুনরায় তীব্র হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে, তা নির্ধারণে আগামী দিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতোমধ্যে সতর্ক করেছেন যে, কোনো চুক্তি না হলে লড়াই আবার শুরু হতে পারে।
.png)
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় কূটনৈতিক সাফল্যের আভাস দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে দুই পক্ষের মধ্যে এখনো গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য রয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর বিবিসির।
ওয়াশিংটন থেকে বিবিসির সংবাদদাতা সিমি জোলাওসো জানান, ট্রাম্প আজ সারাদিনই ইরান ইস্যুতে ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি দাবি করেছেন, তেহরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যাকে তিনি “নিউক্লিয়ার ডাস্ট” বলে উল্লেখ করেছেন—হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র এই উপাদান সংগ্রহ করে নিজেদের দেশে নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এর বিনিময়ে ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে তিনি রাজি হননি।
এ ধরনের শর্তগুলো ইরানের জন্য বড় ধরনের ছাড় হিসেবে বিবেচিত, কারণ আগের আলোচনায় এসব বিষয়ই ছিল প্রধান বিরোধের কারণ। তবে ট্রাম্পের এই আশাবাদকে অকালপক্ক বলা হচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানোর ধারণা সরাসরি নাকচ করেছেন।
ফলে ট্রাম্প কূটনৈতিক সাফল্যের ইঙ্গিত দিলেও বাস্তবে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়ে গেছে। এদিকে ট্রাম্পের সাম্প্রতিব সকল দাবিগুলোকেই মিথ্যা বলে আখ্যা দিয়েছেন ইরানের স্পিকার বাঘের গালিবাফ।
কূটনীতি টিকে থাকবে কিনা, নাকি সংঘাত পুনরায় তীব্র হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে, তা নির্ধারণে আগামী দিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতোমধ্যে সতর্ক করেছেন যে, কোনো চুক্তি না হলে লড়াই আবার শুরু হতে পারে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন