শুক্রবার ভোর হতেই দেখা গেছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। মাউন্ট লেবানন থেকে বৈরুত হয়ে দক্ষিণ লেবাননের দিকে যাওয়ার উপকূলীয় মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ জট তৈরি হয়েছে। পরিবার-পরিজন আর প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নিয়ে গাড়িতে করে নিজ শহরের দিকে ছুটছেন ঘরছাড়া মানুষগুলো। বিশেষ করে সিডন ও টায়ারের সংযোগকারী সড়কগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগে থাকলেও মানুষের চোখে-মুখে ছিল ফেরার আনন্দ।
যুদ্ধবিধ্বস্ত ঘরবাড়ি আর অনিশ্চয়তা পেছনে ফেলে ফেরার পথে অনেককেই গাড়ির জানালা দিয়ে বিজয়ের চিহ্ন দেখাতে দেখা যায়। টানা কয়েক সপ্তাহের বোমাবর্ষণ আর সংঘাতের বিভীষিকা কাটিয়ে সাময়িক এই শান্তিতে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। তবে বাড়ি ফেরার এই আনন্দ ছাপিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে দুশ্চিন্তা—ফিরে গিয়ে নিজেদের ঘরবাড়ি অক্ষত পাবেন কি না, তা নিয়ে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় আপাতত গোলাগুলি থামলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সংঘাতের ফলে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাস্তুচ্যুত এই বিপুল সংখ্যক মানুষের পুনর্বাসন এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া জনপদ পুনর্গঠন করাই এখন লেবানন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লেবাননের সেনাবাহিনী বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
.png)
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
শুক্রবার ভোর হতেই দেখা গেছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। মাউন্ট লেবানন থেকে বৈরুত হয়ে দক্ষিণ লেবাননের দিকে যাওয়ার উপকূলীয় মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ জট তৈরি হয়েছে। পরিবার-পরিজন আর প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নিয়ে গাড়িতে করে নিজ শহরের দিকে ছুটছেন ঘরছাড়া মানুষগুলো। বিশেষ করে সিডন ও টায়ারের সংযোগকারী সড়কগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগে থাকলেও মানুষের চোখে-মুখে ছিল ফেরার আনন্দ।
যুদ্ধবিধ্বস্ত ঘরবাড়ি আর অনিশ্চয়তা পেছনে ফেলে ফেরার পথে অনেককেই গাড়ির জানালা দিয়ে বিজয়ের চিহ্ন দেখাতে দেখা যায়। টানা কয়েক সপ্তাহের বোমাবর্ষণ আর সংঘাতের বিভীষিকা কাটিয়ে সাময়িক এই শান্তিতে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। তবে বাড়ি ফেরার এই আনন্দ ছাপিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে দুশ্চিন্তা—ফিরে গিয়ে নিজেদের ঘরবাড়ি অক্ষত পাবেন কি না, তা নিয়ে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় আপাতত গোলাগুলি থামলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সংঘাতের ফলে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাস্তুচ্যুত এই বিপুল সংখ্যক মানুষের পুনর্বাসন এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া জনপদ পুনর্গঠন করাই এখন লেবানন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লেবাননের সেনাবাহিনী বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন