লেবাননে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সরাসরি আলাপ করবেন ইসরায়েলি নেতারা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।
টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, এ বিষয়েটিকে একটি বড় অর্জন হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটু স্বস্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছি। দীর্ঘ সময় প্রায় ৩৪ বছর পর দুই দেশের নেতারা একে অপরের সাথে কথা বলবেন। এটা আগামীকালই (বৃহস্পতিবার) ঘটছে। দারুণ!’
অবশ্য কোন কোন নেতারা এই আলোচনায় অংশ নেবেন, সে বিষয়ে কিছু বলেননি ট্রাম্প। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের মধ্যে এই আলাপ হতে পারে।
এর আগে ১৯৯৩ সালে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হলেও তা শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে হয়নি। ফলে ৩৪ বছর পর এটিই হতে যাচ্ছে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি যোগাযোগ।
গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে একটি প্রাথমিক বৈঠক হয়েছে। লেবানন শুরু থেকেই একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে আসছে, তবে ইসরায়েল এখন পর্যন্ত হিজবুল্লাহকে নির্মূল করার লক্ষ্যে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে।
দীর্ঘ তিন দশক পর ইসরায়েল ও লেবাননের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সরাসরি কথা বলার এই উদ্যোগকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা কমানোর একটি ‘ঐতিহাসিক’ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প।
.png)
রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
লেবাননে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সরাসরি আলাপ করবেন ইসরায়েলি নেতারা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।
টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, এ বিষয়েটিকে একটি বড় অর্জন হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটু স্বস্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছি। দীর্ঘ সময় প্রায় ৩৪ বছর পর দুই দেশের নেতারা একে অপরের সাথে কথা বলবেন। এটা আগামীকালই (বৃহস্পতিবার) ঘটছে। দারুণ!’
অবশ্য কোন কোন নেতারা এই আলোচনায় অংশ নেবেন, সে বিষয়ে কিছু বলেননি ট্রাম্প। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের মধ্যে এই আলাপ হতে পারে।
এর আগে ১৯৯৩ সালে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হলেও তা শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে হয়নি। ফলে ৩৪ বছর পর এটিই হতে যাচ্ছে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি যোগাযোগ।
গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে একটি প্রাথমিক বৈঠক হয়েছে। লেবানন শুরু থেকেই একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে আসছে, তবে ইসরায়েল এখন পর্যন্ত হিজবুল্লাহকে নির্মূল করার লক্ষ্যে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে।
দীর্ঘ তিন দশক পর ইসরায়েল ও লেবাননের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সরাসরি কথা বলার এই উদ্যোগকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা কমানোর একটি ‘ঐতিহাসিক’ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প।
.png)
আপনার মতামত লিখুন