ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
সার্চ টুডে

বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার



বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার
ছবিঃ ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড ইআরএল

অপরিশোধিত তেলের সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে সর্বশেষ পরিশোধন কার্যক্রম চালানোর পর উৎপাদন বন্ধ রাখা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।


তবে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না।


ইআরএলের কর্মকর্তারা জানান, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় ৫ হাজার টন তেল এবং চারটি ট্যাংকের তলানিতে থাকা ডেড স্টক ব্যবহার করেই সর্বশেষ পরিশোধন কার্যক্রম চালানো হয়েছিল।


সাধারণত প্রতিদিন গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে ইআরএল। তবে সংকটের কারণে গত মাস থেকে তা কমিয়ে দৈনিক ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। এমনকি গত ৪ মার্চ নাগাদ ব্যবহারযোগ্য মজুত ২ হাজার টনের নিচে নেমে আসে।


এ বিষয়ে ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়, যার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে এবং তা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়।


উল্লেখ্য, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার কারণে গত প্রায় দুই মাস ধরে অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী চালান আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তখন পর্যন্ত ইআরএল বন্ধই থাকতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

সার্চ টুডে

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬


বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

অপরিশোধিত তেলের সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে সর্বশেষ পরিশোধন কার্যক্রম চালানোর পর উৎপাদন বন্ধ রাখা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।


তবে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না।


ইআরএলের কর্মকর্তারা জানান, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় ৫ হাজার টন তেল এবং চারটি ট্যাংকের তলানিতে থাকা ডেড স্টক ব্যবহার করেই সর্বশেষ পরিশোধন কার্যক্রম চালানো হয়েছিল।


সাধারণত প্রতিদিন গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে ইআরএল। তবে সংকটের কারণে গত মাস থেকে তা কমিয়ে দৈনিক ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। এমনকি গত ৪ মার্চ নাগাদ ব্যবহারযোগ্য মজুত ২ হাজার টনের নিচে নেমে আসে।


এ বিষয়ে ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়, যার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে এবং তা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়।


উল্লেখ্য, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার কারণে গত প্রায় দুই মাস ধরে অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী চালান আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তখন পর্যন্ত ইআরএল বন্ধই থাকতে পারে।


সার্চ টুডে

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজাম্মুল হোসেন
বার্তা সম্পাদক: হুমায়ুন কবির সবুজ
লিগ্যাল এডভাইজার: সৌরভ গাঙ্গুলি
উপদেষ্টা: সাজ্জাদ আলম খান সজল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সার্চটুডে