ফেনীতে বিএনপির রাজনীতিতে নতুন করে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে যুবদলের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দলীয় কমিটিতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের অন্তর্ভুক্তি, চাঁদাবাজি-দখলদারিত্বের অভিযোগ এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারাও বিব্রত ও ক্ষুব্ধ বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
গত ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌরসভা যুবদলের সভাপতি একেএম জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারীর স্বাক্ষরে বিভিন্ন ইউনিট কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, এসব কমিটিতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সাবেক নেতাকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি সমালোচনার জন্ম দেয় ২০১৭ সালের ৩ মে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার আসামি এনামুল হক সুজনকে ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক করা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই ওয়ার্ড কমিটির ৮ সদস্যের মধ্যে ৬ জন পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পরে একের পর এক ইউনিটে পদত্যাগ শুরু হলে চাপের মুখে পৌর কমিটি বিলুপ্ত করা হয় এবং আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবকে বহিষ্কার করা হয়।
তবে জেলা যুবদল সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করে, এনামুল হক সুজন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জড়িত নন।
এরপর ৪ মে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগে ফেনী জেলা যুবদলের কমিটি স্থগিত করে কেন্দ্রীয় যুবদল। এ সিদ্ধান্তে নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
দলের অভ্যন্তরে অভিযোগ রয়েছে, যুবদলের বিভিন্ন ইউনিটে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সাবেক নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করা হচ্ছে। যুবলীগের সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত রাকিবকে ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি, ছাত্র হত্যা মামলার আসামি নাদিমকে পদ দেওয়া এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির ঘটনায় ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এছাড়া যুবলীগের সন্ত্রাসী মহিপালের ছাত্র-জনতা গণহত্যা মামলার আসামি নাহিয়ান চৌধুরীর ভাই শরীফ মাহমুদ চৌধুরী তাসরীপকে ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান রুমনকে একই ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া জিসানকে সরাসরি ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি করায়ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে। তাদের ভাষ্য, “ফেনী জেলা যুবদল এখন আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।”
এদিকে জেলা যুবদলের সদস্য রিপুকে আহ্বায়কের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে কমিটিতে রাখা এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের পদ দেওয়ার ঘটনায় সংগঠনটির ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতারা।
অন্যদিকে, দাগনভূঞা, সোনাগাজী ও ছাগলনাইয়াসহ বিভিন্ন উপজেলায় যুবদলের নেতাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, চোরাচালান, ট্রাক চুরি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
সদ্য স্থগিত হওয়া কমিটির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা আল ইমরান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করেন, “মিথ্যা মামলায় মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়ে ফেনী জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত করা হয়েছে।”
জানা গেছে, আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব মনছুর আহমদ ঢাকায় ব্যবসা করেন এবং সেখানেই বসবাস করেন। সম্প্রতি সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ইমাম হোসেন পবির ট্রাক চুরির ঘটনায় বহিষ্কার হন। আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঞার বিরুদ্ধেও রয়েছে নানা অভিযোগ।
২০১৭ সালে ছাগলনাইয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উল হায়দার চৌধুরী এবং তার পরিবারের সঙ্গে যৌথভাবে জমি ক্রয়ের বায়না করার অভিযোগ ওঠে।
সম্প্রতি র্যাব-৭ ফেনী ক্যাম্প ভারতীয় হোমিওপ্যাথি ওষুধসহ দুইজনকে আটক করে। আটক শাহ আলম সদ্য স্থগিত হওয়া জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল হোসাইনের ভাই বলে জানা গেছে।
এদিকে, স্থগিত কমিটির আহ্বায়ক নাছির খন্দকারের ছোট ভাই যুবলীগ নেতা এখলাছ উদ্দিন খন্দকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারবিরোধী প্রচারণার অভিযোগও উঠেছে।
এসব ঘটনায় ফেনীতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ায় সংগঠনের ভেতরে হতাশা ও বিভক্তি বাড়ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার বলেন, জেলা ও পৌর যুবদলের কমিটি গঠনের বিষয়ে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করা হয়নি।
তিনি বলেন, “আমরা কোনো কমিটি দিইনি, এমনকি আগে থেকে অবগতও ছিলাম না। কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতিকে বলেছি, জেলা বিএনপির সঙ্গে আলোচনা না করেই কমিটি দেওয়া হয়েছে। যেহেতু আপনারাই কমিটি দিয়েছেন, এখন আপনারাই সিদ্ধান্ত নিন। এ কমিটির দায়ভার আমরা নিতে পারব না।”
.png)
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
ফেনীতে বিএনপির রাজনীতিতে নতুন করে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে যুবদলের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দলীয় কমিটিতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের অন্তর্ভুক্তি, চাঁদাবাজি-দখলদারিত্বের অভিযোগ এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারাও বিব্রত ও ক্ষুব্ধ বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
গত ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌরসভা যুবদলের সভাপতি একেএম জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারীর স্বাক্ষরে বিভিন্ন ইউনিট কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, এসব কমিটিতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সাবেক নেতাকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি সমালোচনার জন্ম দেয় ২০১৭ সালের ৩ মে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার আসামি এনামুল হক সুজনকে ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক করা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই ওয়ার্ড কমিটির ৮ সদস্যের মধ্যে ৬ জন পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পরে একের পর এক ইউনিটে পদত্যাগ শুরু হলে চাপের মুখে পৌর কমিটি বিলুপ্ত করা হয় এবং আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবকে বহিষ্কার করা হয়।
তবে জেলা যুবদল সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করে, এনামুল হক সুজন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জড়িত নন।
এরপর ৪ মে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগে ফেনী জেলা যুবদলের কমিটি স্থগিত করে কেন্দ্রীয় যুবদল। এ সিদ্ধান্তে নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
দলের অভ্যন্তরে অভিযোগ রয়েছে, যুবদলের বিভিন্ন ইউনিটে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সাবেক নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করা হচ্ছে। যুবলীগের সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত রাকিবকে ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি, ছাত্র হত্যা মামলার আসামি নাদিমকে পদ দেওয়া এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির ঘটনায় ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এছাড়া যুবলীগের সন্ত্রাসী মহিপালের ছাত্র-জনতা গণহত্যা মামলার আসামি নাহিয়ান চৌধুরীর ভাই শরীফ মাহমুদ চৌধুরী তাসরীপকে ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান রুমনকে একই ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া জিসানকে সরাসরি ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি করায়ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে। তাদের ভাষ্য, “ফেনী জেলা যুবদল এখন আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।”
এদিকে জেলা যুবদলের সদস্য রিপুকে আহ্বায়কের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে কমিটিতে রাখা এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের পদ দেওয়ার ঘটনায় সংগঠনটির ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতারা।
অন্যদিকে, দাগনভূঞা, সোনাগাজী ও ছাগলনাইয়াসহ বিভিন্ন উপজেলায় যুবদলের নেতাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, চোরাচালান, ট্রাক চুরি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
সদ্য স্থগিত হওয়া কমিটির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা আল ইমরান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করেন, “মিথ্যা মামলায় মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়ে ফেনী জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত করা হয়েছে।”
জানা গেছে, আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব মনছুর আহমদ ঢাকায় ব্যবসা করেন এবং সেখানেই বসবাস করেন। সম্প্রতি সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ইমাম হোসেন পবির ট্রাক চুরির ঘটনায় বহিষ্কার হন। আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঞার বিরুদ্ধেও রয়েছে নানা অভিযোগ।
২০১৭ সালে ছাগলনাইয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উল হায়দার চৌধুরী এবং তার পরিবারের সঙ্গে যৌথভাবে জমি ক্রয়ের বায়না করার অভিযোগ ওঠে।
সম্প্রতি র্যাব-৭ ফেনী ক্যাম্প ভারতীয় হোমিওপ্যাথি ওষুধসহ দুইজনকে আটক করে। আটক শাহ আলম সদ্য স্থগিত হওয়া জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল হোসাইনের ভাই বলে জানা গেছে।
এদিকে, স্থগিত কমিটির আহ্বায়ক নাছির খন্দকারের ছোট ভাই যুবলীগ নেতা এখলাছ উদ্দিন খন্দকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারবিরোধী প্রচারণার অভিযোগও উঠেছে।
এসব ঘটনায় ফেনীতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ায় সংগঠনের ভেতরে হতাশা ও বিভক্তি বাড়ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার বলেন, জেলা ও পৌর যুবদলের কমিটি গঠনের বিষয়ে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করা হয়নি।
তিনি বলেন, “আমরা কোনো কমিটি দিইনি, এমনকি আগে থেকে অবগতও ছিলাম না। কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতিকে বলেছি, জেলা বিএনপির সঙ্গে আলোচনা না করেই কমিটি দেওয়া হয়েছে। যেহেতু আপনারাই কমিটি দিয়েছেন, এখন আপনারাই সিদ্ধান্ত নিন। এ কমিটির দায়ভার আমরা নিতে পারব না।”
.png)
আপনার মতামত লিখুন