বরগুনার বিষখালী নদীর তীব্র ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়েছেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ অলি উল্লাহ। সম্প্রতি পানিসম্পদ মন্ত্রী বরাবর প্রেরিত এক আধা-সরকারি পত্রে (ডিও লেটার) তিনি এই আবেদন জানান।
সংসদ সদস্য তাঁর পত্রে উল্লেখ করেন, বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী বরগুনা-১ নির্বাচনী এলাকাটি (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) ভৌগোলিক কারণেই দুর্যোগপ্রবণ। বিশেষ করে বিষখালী নদীর পানি বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড় এবং জোয়ার-ভাটার প্রভাবে বরগুনা সদর উপজেলার ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নের উপকূলীয় এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
চিঠিতে বরইতলা ফেরিঘাট হতে মোল্লারহা হয়ে নলী বাজার পর্যন্ত নদীর পাড়ে ব্লক বা জিওব্যাগ (বোল্ডার) ফেলে নদী ভাঙন রোধে একটি বিশেষ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ধরা হয়েছে প্রায় ১১ কিলোমিটার।
আবেদনে জানানো হয়, জরুরি ভিত্তিতে এই ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জনস্বার্থ বিবেচনা করে এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পত্রটি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছে। গত মে ২০২৬-এর শুরুতে প্রাপ্ত এই আবেদনের ওপর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন এবং বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
.png)
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
বরগুনার বিষখালী নদীর তীব্র ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়েছেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ অলি উল্লাহ। সম্প্রতি পানিসম্পদ মন্ত্রী বরাবর প্রেরিত এক আধা-সরকারি পত্রে (ডিও লেটার) তিনি এই আবেদন জানান।
সংসদ সদস্য তাঁর পত্রে উল্লেখ করেন, বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী বরগুনা-১ নির্বাচনী এলাকাটি (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) ভৌগোলিক কারণেই দুর্যোগপ্রবণ। বিশেষ করে বিষখালী নদীর পানি বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড় এবং জোয়ার-ভাটার প্রভাবে বরগুনা সদর উপজেলার ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নের উপকূলীয় এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
চিঠিতে বরইতলা ফেরিঘাট হতে মোল্লারহা হয়ে নলী বাজার পর্যন্ত নদীর পাড়ে ব্লক বা জিওব্যাগ (বোল্ডার) ফেলে নদী ভাঙন রোধে একটি বিশেষ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ধরা হয়েছে প্রায় ১১ কিলোমিটার।
আবেদনে জানানো হয়, জরুরি ভিত্তিতে এই ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জনস্বার্থ বিবেচনা করে এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পত্রটি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছে। গত মে ২০২৬-এর শুরুতে প্রাপ্ত এই আবেদনের ওপর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন এবং বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন