দেশের স্বনামধন্য নির্মাতা গাজী রাকায়েত পরিচালিত তৃতীয় সিনেমা ‘মানুষটিকে দেখ’ (সি দ্য পারসন) মুক্তি পেতে যাচ্ছে। হুমায়ূন ফরিদ প্রযোজিত সিনেমাটি ইতোমধ্যে সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে। আগামী ১ মে যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাতে সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে ফেসবুক ও ইউটিউবে সিনেমার ট্রেইলার রিলিজ হয়েছে। সেন্টার ফর দ্যা রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্যা প্যারালাইজড-সিআরপি’র অর্থায়নে নির্মিত বক্তব্যধর্মী এ সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন ইংরেজ লেখক, প্রযোজক ও পরিচালক এলসপেথ ওয়েলডি।
সিনেমার শিল্প নির্দেশনা দিয়েছেন উত্তম গুহ, সিনেমাটোগ্রাফি শেখ রাজিবুল ইসলাম, আবহসঙ্গীত সৈয়দ সাবাব আলী আরজু, কস্টিউম ডিজাইনার সাকি তারা, স্টিল ফটোগ্রাফি খায়রুল ইসলাম জাহিদুল। আর সিনেমাটি সম্পাদনা করেছেন প্রিন্স সজল এবং কালার গ্রেডিং করেছেন সৌরভ দাস।
সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাশনা শারমিন কেমি, তাহমিদ আরেফিন হক, তারিক আনাম খান, মিলি বাশার, মামুনুর রশীদ, রহমত আলী, গাজী রাকায়েত, শতাব্দী ওয়াদুদ, লারা লোটাস, এহসানুর রহমান, ইকবাল হোসেন, কাজী নওশাবা, রাজীব সালেহীন, শর্মীমালা, হুমায়ূন ফরিদ, মৃণাল দত্ত, আনন্দ খালেদ, তাহমিনা মোনা, আদনান বাঙালী, মিজানুর রহমান, নমিতা দাস, মীর বরকত, অনিক খান, হোসনে আরা, রিয়াদ, আরিফ, মোহন ও ভ্যালেরি আন টেইলর।
‘মানুষটিকে দেখ (সি দ্য পারসন) সিনেমার প্রযোজক হুমায়ূন ফরিদ সূত্রে জানা গেছে যে সমাজ থেকে কুসংস্কার দূর ও গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে এলসপেথ ওয়েলডি বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সেরিব্রাল পালসি নিয়ে ‘মানুষটিকে দেখ’ সিনেমার চিত্রনাট্যটি লিখেছেন।
সিনেমায় দেখা যায় ফরিদা আহমেদ নামের প্রধান নারী চরিত্রটি সেরিব্রাল পালসি-তে আক্রান্ত। সে বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে মেধাবী হলেও শারীরিকভাবে অক্ষম, হুইল চেয়ারে চলা-ফেরা করে। মানুষ তাকে কটু কথা শোনায়, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে। তবুও সে দমে যায় না। সে সেরিব্রাল পালসি-তে আক্রান্ত সব মানুষের মানবিক অধিকারটুকু অর্জনের জন্য লড়াই করে। এ কাজে তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে ফিরোজ মালমুদ। সে কাজ করে পথশিশুদের নিয়ে। একসাথে পথ চলতে চলতে ফিরোজ ও ফরিদার মধ্যে একটি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তাদের সেই সম্পর্কে বাঁধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায় ফিরোজের বড়লোক বাবা মিস্টার মালমুদ। তারপর গল্প মোড় নেয় অন্য দিকে।
সিনেমাটি নিয়ে খুব আশাবাদী নন্দিত অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক গাজী রাকায়েত। তিনি এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এবং একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয়ও করেছেন। তিনি বলেন, ‘মানুষটিকে দেখ’ আমার তৃতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। আমার আগের দুটি সিনেমা ‘মৃত্তিকা মায়া’ ও ‘গোর’ অনেকগুলি ন্যাশনাল এ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল এবং জনপ্রিয়ও হয়েছিল। আশা করি, বাংলাদেশের দর্শকরা এই সিনেমাটিও পছন্দ করবেন। এই সিনেমার নির্মাণে একদল অসাধারণ অভিনয়শিল্পীদের সাথে ক্যামেরার পিছনে কাজ করেছেন দেশের সব নামকরা কলাকুশলী।
.png)
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
দেশের স্বনামধন্য নির্মাতা গাজী রাকায়েত পরিচালিত তৃতীয় সিনেমা ‘মানুষটিকে দেখ’ (সি দ্য পারসন) মুক্তি পেতে যাচ্ছে। হুমায়ূন ফরিদ প্রযোজিত সিনেমাটি ইতোমধ্যে সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে। আগামী ১ মে যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাতে সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে ফেসবুক ও ইউটিউবে সিনেমার ট্রেইলার রিলিজ হয়েছে। সেন্টার ফর দ্যা রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্যা প্যারালাইজড-সিআরপি’র অর্থায়নে নির্মিত বক্তব্যধর্মী এ সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন ইংরেজ লেখক, প্রযোজক ও পরিচালক এলসপেথ ওয়েলডি।
সিনেমার শিল্প নির্দেশনা দিয়েছেন উত্তম গুহ, সিনেমাটোগ্রাফি শেখ রাজিবুল ইসলাম, আবহসঙ্গীত সৈয়দ সাবাব আলী আরজু, কস্টিউম ডিজাইনার সাকি তারা, স্টিল ফটোগ্রাফি খায়রুল ইসলাম জাহিদুল। আর সিনেমাটি সম্পাদনা করেছেন প্রিন্স সজল এবং কালার গ্রেডিং করেছেন সৌরভ দাস।
সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাশনা শারমিন কেমি, তাহমিদ আরেফিন হক, তারিক আনাম খান, মিলি বাশার, মামুনুর রশীদ, রহমত আলী, গাজী রাকায়েত, শতাব্দী ওয়াদুদ, লারা লোটাস, এহসানুর রহমান, ইকবাল হোসেন, কাজী নওশাবা, রাজীব সালেহীন, শর্মীমালা, হুমায়ূন ফরিদ, মৃণাল দত্ত, আনন্দ খালেদ, তাহমিনা মোনা, আদনান বাঙালী, মিজানুর রহমান, নমিতা দাস, মীর বরকত, অনিক খান, হোসনে আরা, রিয়াদ, আরিফ, মোহন ও ভ্যালেরি আন টেইলর।
‘মানুষটিকে দেখ (সি দ্য পারসন) সিনেমার প্রযোজক হুমায়ূন ফরিদ সূত্রে জানা গেছে যে সমাজ থেকে কুসংস্কার দূর ও গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে এলসপেথ ওয়েলডি বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সেরিব্রাল পালসি নিয়ে ‘মানুষটিকে দেখ’ সিনেমার চিত্রনাট্যটি লিখেছেন।
সিনেমায় দেখা যায় ফরিদা আহমেদ নামের প্রধান নারী চরিত্রটি সেরিব্রাল পালসি-তে আক্রান্ত। সে বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে মেধাবী হলেও শারীরিকভাবে অক্ষম, হুইল চেয়ারে চলা-ফেরা করে। মানুষ তাকে কটু কথা শোনায়, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে। তবুও সে দমে যায় না। সে সেরিব্রাল পালসি-তে আক্রান্ত সব মানুষের মানবিক অধিকারটুকু অর্জনের জন্য লড়াই করে। এ কাজে তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে ফিরোজ মালমুদ। সে কাজ করে পথশিশুদের নিয়ে। একসাথে পথ চলতে চলতে ফিরোজ ও ফরিদার মধ্যে একটি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তাদের সেই সম্পর্কে বাঁধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায় ফিরোজের বড়লোক বাবা মিস্টার মালমুদ। তারপর গল্প মোড় নেয় অন্য দিকে।
সিনেমাটি নিয়ে খুব আশাবাদী নন্দিত অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক গাজী রাকায়েত। তিনি এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এবং একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয়ও করেছেন। তিনি বলেন, ‘মানুষটিকে দেখ’ আমার তৃতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। আমার আগের দুটি সিনেমা ‘মৃত্তিকা মায়া’ ও ‘গোর’ অনেকগুলি ন্যাশনাল এ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল এবং জনপ্রিয়ও হয়েছিল। আশা করি, বাংলাদেশের দর্শকরা এই সিনেমাটিও পছন্দ করবেন। এই সিনেমার নির্মাণে একদল অসাধারণ অভিনয়শিল্পীদের সাথে ক্যামেরার পিছনে কাজ করেছেন দেশের সব নামকরা কলাকুশলী।
.png)
আপনার মতামত লিখুন