ইমরান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে প্রতিবন্ধী ভাই-বোনের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ, প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আমিনুর রহমান মুকুল। সোমবার দুপুরে কেশবপুর নিউজ ক্লাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী ভাই কুদ্দুসউর রহমান ও বোন নারগিস নাহারের পক্ষে এসব গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন।
লিখিত বক্তব্যে আমিনুর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, তার সৎ ভাই মোঃ আরিফুর রহমান সবুজ ও তার স্ত্রী হাসিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে সহজ-সরল প্রতিবন্ধী ভাই-বোনদের ওপর পরিকল্পিতভাবে মানসিক ও অর্থনৈতিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন।
তিনি জানান, গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কেশবপুর রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বগা মৌজার ২০১ নং খতিয়ানের ২৫৭ নং দাগের ১০ শতক জমি সোহাগ মোড়ল নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়, যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকারও বেশি।
এছাড়া এর আগেও অভিযুক্ত সবুজ প্রতারণার মাধ্যমে বগা, রেজাকাটি ও পাটকেলঘাটা মৌজায় অবস্থিত প্রায় ১ বিঘা ৩৪ শতক পৈতৃক জমি বিক্রি করে আনুমানিক ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিবন্ধী ভাই-বোনদের কাছ থেকে ১ ভরি ১১ আনা ওজনের স্বর্ণালঙ্কার (আংটি, ব্রেসলেট ও কানের দুল) ছিনিয়ে নিয়ে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার একটি জুয়েলার্সে প্রায় ১ লাখ টাকায় বন্ধক রাখা হয়েছে।
আমিনুর রহমান মুকুল বলেন, “যখনই আমার প্রতিবন্ধী ভাই-বোন তাদের প্রাপ্য টাকা বা স্বর্ণ ফেরত চাই, তখনই সবুজ তাদের খুন করার হুমকি দেয়। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে এবং মানবেতর জীবনযাপন করছে।”
তিনি যশোরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও কেশবপুর থানা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান। একইসঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরিফুর রহমান সবুজের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না, যা হয়েছে সব আমার মা করেছে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুদ্দুসউর রহমান, নারগিস নাহার এবং চাচাতো ভাই মোঃ ইকবাল হোসেন।
.png)
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ইমরান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে প্রতিবন্ধী ভাই-বোনের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ, প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আমিনুর রহমান মুকুল। সোমবার দুপুরে কেশবপুর নিউজ ক্লাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী ভাই কুদ্দুসউর রহমান ও বোন নারগিস নাহারের পক্ষে এসব গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন।
লিখিত বক্তব্যে আমিনুর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, তার সৎ ভাই মোঃ আরিফুর রহমান সবুজ ও তার স্ত্রী হাসিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে সহজ-সরল প্রতিবন্ধী ভাই-বোনদের ওপর পরিকল্পিতভাবে মানসিক ও অর্থনৈতিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন।
তিনি জানান, গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কেশবপুর রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বগা মৌজার ২০১ নং খতিয়ানের ২৫৭ নং দাগের ১০ শতক জমি সোহাগ মোড়ল নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়, যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকারও বেশি।
এছাড়া এর আগেও অভিযুক্ত সবুজ প্রতারণার মাধ্যমে বগা, রেজাকাটি ও পাটকেলঘাটা মৌজায় অবস্থিত প্রায় ১ বিঘা ৩৪ শতক পৈতৃক জমি বিক্রি করে আনুমানিক ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিবন্ধী ভাই-বোনদের কাছ থেকে ১ ভরি ১১ আনা ওজনের স্বর্ণালঙ্কার (আংটি, ব্রেসলেট ও কানের দুল) ছিনিয়ে নিয়ে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার একটি জুয়েলার্সে প্রায় ১ লাখ টাকায় বন্ধক রাখা হয়েছে।
আমিনুর রহমান মুকুল বলেন, “যখনই আমার প্রতিবন্ধী ভাই-বোন তাদের প্রাপ্য টাকা বা স্বর্ণ ফেরত চাই, তখনই সবুজ তাদের খুন করার হুমকি দেয়। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে এবং মানবেতর জীবনযাপন করছে।”
তিনি যশোরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও কেশবপুর থানা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান। একইসঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরিফুর রহমান সবুজের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না, যা হয়েছে সব আমার মা করেছে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুদ্দুসউর রহমান, নারগিস নাহার এবং চাচাতো ভাই মোঃ ইকবাল হোসেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন