মো আবদুল করিম সোহাগ | ঢাকা
মেকআপ আর্টিস্ট নাহিদ আহমেদের পথচলা শুরু ছোটবেলার স্বপ্ন থেকে।খুব অল্প বয়স থেকেই সাজগোজ আর মেকআপের জগৎ তাকে টানত। অন্যরা যেখানে এটাকে শখ হিসেবে দেখেছে, নাহিদ সেখানে দেখেছেন নিজের ভবিষ্যৎ। নাহিদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার বিক্রমপুরে।তার জন্ম মালয়েশিয়ায় হলেও ছোটবেলা থেকেই তিনি তার বড় মায়ের কাছে বড় হয়েছেন ঢাকায়।শুরুটা সহজ ছিল না, তবে আগ্রহ আর চর্চা তাকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়েছে এই পেশায়। সময়ের সঙ্গে নিজের দক্ষতা বাড়িয়েছেন, বিভিন্ন লুক ও স্টাইল নিয়ে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি নিয়মিত মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং পরিচিতিও পাচ্ছেন।কিভাবে একটি সুন্দর রূপসজ্জা একজন মানুষের আত্মবিশ্বাসকে পুরোপুরি বদলে দিতে পারে, সেই অনুভূতিই তাকে এই পেশার দিকে টেনে আনে। তার ভাষায়, মেকআপ শুধু সৌন্দর্য নয়, এটি রূপান্তরের এক শিল্প। আর সেই অনুপ্রেরণাই আজ তার নেশা থেকে পেশায় পরিণত হয়েছে।সম্প্রতি ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ ২০২৬ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশের তমা রশিদ এবং তমা রশিদের মেকআপ আর্টিস্ট ছিলেন নাহিদ আহমেদ।তমা রশিদের সাথে থাইল্যান্ডে যাওয়ার কথা ছিল মেকআপ আর্টিস্ট নাহিদ আহমেদের। কিন্তু বাবা অসুস্থতার কারণে যেতে পারেনি নাহিদ আহমেদ।থাইল্যান্ডে নাহিদ আহমেদ যেতে না পারলেও তমা রশিদকে অনলাইনে মেকআপের নির্দেশনা দিয়েছেন নাহিদ আহমেদ।থাইল্যান্ডে অন্যান্য প্রতিযোগিতারাও নাহিদ আহমেদের মেকআপকে প্রশংসা করেন।রূপসজ্জা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যচর্চা নয়, এটি একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব ও উপস্থিতিকে নতুনভাবে ফুটিয়ে তোলার এক অনন্য শিল্প। আর এই শিল্পকেই নিজের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও পেশায় পরিণত করেছেন নাহিদ আহমেদ।নাহিদ আহমেদ বলেন, এই অঙ্গনে পেশাদারভাবে এগিয়ে যেতে হলে প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং ধারাবাহিকতা। সেই উপলব্ধি থেকেই তিনি ধীরে ধীরে নিজেকে এই পেশায় প্রতিষ্ঠিত করার কাজ শুরু করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, শেখার কোনো শেষ নেই। একজন শিল্পীর জন্য প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট রাখা এবং নতুন কিছু শেখা খুবই জরুরি।