মোঃ তাজাম্মুল হোসেন , মণিরামপুর, যশোর
হঠাৎ করে উত্তপ্ত মণিরামপুর। গরম রাজনৈতিক মাঠ, থমথমে মণিরামপুর পৌর শহর। অভিযোগ উঠেছে, যশোরের মনিরামপুরে বিএনপি ও জামায়েতের দিনব্যাপী থেমে থেমে হওয়া সংঘর্ষে এ পর্যন্ত উভয় পক্ষের ১৮ থেকে ২০ জনের আহতের খবর পাওয়া গেছে। হরিহরনদী খননের অতিরিক্ত মাটি বিক্রয়ের টেন্ডার নিয়ে পৌরসভা কার্যালয়ে মাটি বরাদ্দকে কেন্দ্র করে বিএনপি- জামায়াতের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৌরসভা কার্যালয়ে মাটি কাটার বরাদ্দ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় জামায়াতের ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।জামায়াত-শিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আহসান হাবীব লিটন মাও: মহিউল ইসলাম ইঞ্জিঃ ফারুক ছাত্রশিবিরের ফাহিম সহ তাদের প্রায় ১০-১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতাকর্মীকে কিছু সময় অবরুদ্ধ করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা অফিস ভাংচুর করার অভিযোগ করেন তারা।ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।নির্বাচন পরবর্তী সরকার গঠনের বছর না পেরোতেই মাঠ রাজনৈতিক মাঠ গরমের এ ঘঠনায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান মিন্টু জানিয়েছেন যে জামায়াতের হামলায় ছাত্রনেতা সালিমুন হোসেন ও সবুজ হোসেনের অবস্থা আশংকা জনক। তাছাড়া সর্বমোট ৮জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে। আমি এ ঘঠনায় উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।এ বিষয়ে, বিশৃংখলা থেকে বিরত থেকে শুক্রবার( ১লা মে) সকালে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে বলে জানিয়েছে মণিরামপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ফজলুল হকের বিশ্বস্থ্য মুঠোফোন সূত্র মাধ্যম।এ বিষয়ে মণিরামপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবাগত ওসি মোঃ আবু সাঈদ ঘঠনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন যে,নদী খননের মাটির টেন্ডারকে কেন্দ্র করে প্রথম পর্যায়ের বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের পর এখনো পর্যন্ত কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি। মণিরামপুর থানা পুলিশ সতর্কতা অবলম্বনে অবস্থা নিয়ে পুলিশের টহলে বিশেষ নজরদারি রেখেছে।