সার্চটুডে, অনলাইন ডেস্ক
যশোরের কেশবপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল ইসলামসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মিরাজুল ইসলামসহ কয়েকজনকে জখম এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় এই চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. হেলাল উজ্জামান।চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, সাবেক এমপি খন্দকার আজিজুল ইসলাম, কবির হোসেন ওরফে জিএম কবির, টিপু সুলতান, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সৌরভ হোসেন ওরফে ফেরদৌস কবীর সৌরভ, মেহেদী হাসান ওরফে হাসান, শ্রীকান্ত দাস, তানজিম, মো. তরিকুল ইসলাম, ইস্কান্দার ইসলাম ওরফে পারভেজ, তরিকুল ইসলাম দপ্তরী, আফরাজুর রহমান তুষার, নাহমাহদুল আশিক, পারভেজ মোশারেফ, প্রান্ত সাহা, সুজন দাস, মারুফ হোসেন ওরফে মারুফ ইসলাম সাগর, তুহিন রেজা ওরফে সাগর হোসেন তুহিন, শাহীন আলম, জাহাঙ্গীর ফকির, মহিউদ্দিন খান আলমগীর, মহিবুল হাসান, আইয়ুব হোসেন মিলন, শেখ আলাল, হাবিবুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম, জামাল হোসেন শেখ, রবিউল ইসলাম রবি, সুজন হোসেন, মাসুম বিল্লাহ, মনিরুজ্জামান জিকু ওরফে মনিরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, হারুন অর রশিদ, সাগর পাল, দেলোয়ার হোসেন রকি, রাকিবুল ইসলাম জিসান, মুত্তাসিম বিল্লাহ, শাহিন রেজা লিখন, মহিবুর রশিদ ওরফে আব্দুর রশিদ, রুস্তম আলী খান, আব্দুর রহিম, গোলাম রসুল ওরফে আলিফ উদ্দিন, গৌতম রায়, হাবিবুর রহমান খান মুকুল, মেহেরাব হোসেন স্বাধীন, শফিকুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির টিনু, মফিজুর রহমান, হোসেন আলী, রবিউল ইসলাম, খালিদ হাসান ও বিএম শহীদুজ্জামান বিশ্বাস।মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষার্থীরা কেশবপুর কলেজ মাঠে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় খন্দকার আজিজুল ইসলামের নির্দেশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার সহযোগীরা শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।তাদের ছুরিকাঘাত ও চাইনিজ কুড়ালের আঘাতে কেশবপুর শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মিরাজুল ইসলামসহ আব্দুল হালিম অটল, সাহেদ আলী, মাছুম, মিরাজ ও পলাশ গুরুতর জখম হন। পরে আহতরা কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।এ ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল ইসলামসহ ২০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় মামলা করেন মিরাজুল ইসলাম।তদন্ত সূত্রে জানা যায়, মামলা তদন্তকালে এজাহারভুক্ত আসামি জামির হোসেন ওরফে শেখ জামিরুল ইসলাম মারা যান। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তাকে বাদ দিয়ে বাকি ১৯ জন এবং তদন্তে নতুন করে চিহ্নিত আরও ৩৫ জনসহ মোট ৫৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।-গ্রামের কাগজ