চুয়াডাঙ্গায় অবৈধভাবে ডিএপি সার পরিবহন: ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৪০ বস্তা সার জব্দ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় যথাযথ অনুমোদন ছাড়া ডিএপি (ডায়ামোনিয়াম ফসফেট) সার পরিবহন ও বাজারজাতকরণের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) ৪০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকায় হারদী-মিরপুর সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীর নাম সুমন আলী। তিনি হারদী গ্রামের মৃত ঠান্ডু বিশ্বাসের ছেলে এবং হারদী বাজারের 'মেসার্স বিশ্বাস ট্রেডার্স'-এর মালিক।
যেভাবে ধরা পড়ল অবৈধ চালান
অভিযানকালে ওই সড়কে সারবোঝাই একটি 'আলমসাধু' (স্থানীয় যান) আটক করা হয়। গাড়িটিতে বিসিআইসি’র ৪০ বস্তা ডিএপি সার ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে আলমসাধুর চালক, ওসমানপুর গ্রামের সিয়াম আলী জানান— হারদী বাজারের মেসার্স বিশ্বাস ট্রেডার্স থেকে সারগুলো নিয়ে প্রাগপুর এলাকার এক ব্যবসায়ীর দোকানে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল তার। এ সময় তিনি একটি বিক্রয় মেমোও প্রদর্শন করেন।
পরবর্তীতে উপজেলা কৃষি অফিসের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, সম্পূর্ণ অবৈধ ও যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই এই সার বিক্রয় ও পরিবহনের কার্যক্রম চলছিল। এরপর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশের নির্দেশনায় সারগুলো জব্দ করা হয়।
আইনের আওতায় শাস্তি ও সারের ভবিষ্যৎ
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, সার ব্যবস্থাপনা আইন (সংশোধন) ২০১৮-এর ১২(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে, একই আইনের ১২(৩) ধারায় ব্যবসায়ী সুমন আলীকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
কৃষি বিভাগের সিদ্ধান্ত:
জব্দকৃত ৪০ বস্তা সার সরকারি বিধি অনুযায়ী স্থানীয় সাধারণ কৃষকদের মাঝে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হবে। এবং সার বিক্রির সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন যারা
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মির্জা শহিদুল ইসলাম। অভিযান চলাকালীন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. সাইফুল্লাহ মাহমুদ ও মো. উদয় রহমান উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কৃষি উপকরণের অবৈধ পরিবহন, মজুত ও বাজারজাতকরণ রোধে প্রশাসনের এই ধরনের কঠোর ও নজরদারি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
.png)
রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় অবৈধভাবে ডিএপি সার পরিবহন: ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৪০ বস্তা সার জব্দ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় যথাযথ অনুমোদন ছাড়া ডিএপি (ডায়ামোনিয়াম ফসফেট) সার পরিবহন ও বাজারজাতকরণের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) ৪০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকায় হারদী-মিরপুর সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীর নাম সুমন আলী। তিনি হারদী গ্রামের মৃত ঠান্ডু বিশ্বাসের ছেলে এবং হারদী বাজারের 'মেসার্স বিশ্বাস ট্রেডার্স'-এর মালিক।
যেভাবে ধরা পড়ল অবৈধ চালান
অভিযানকালে ওই সড়কে সারবোঝাই একটি 'আলমসাধু' (স্থানীয় যান) আটক করা হয়। গাড়িটিতে বিসিআইসি’র ৪০ বস্তা ডিএপি সার ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে আলমসাধুর চালক, ওসমানপুর গ্রামের সিয়াম আলী জানান— হারদী বাজারের মেসার্স বিশ্বাস ট্রেডার্স থেকে সারগুলো নিয়ে প্রাগপুর এলাকার এক ব্যবসায়ীর দোকানে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল তার। এ সময় তিনি একটি বিক্রয় মেমোও প্রদর্শন করেন।
পরবর্তীতে উপজেলা কৃষি অফিসের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, সম্পূর্ণ অবৈধ ও যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই এই সার বিক্রয় ও পরিবহনের কার্যক্রম চলছিল। এরপর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশের নির্দেশনায় সারগুলো জব্দ করা হয়।
আইনের আওতায় শাস্তি ও সারের ভবিষ্যৎ
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, সার ব্যবস্থাপনা আইন (সংশোধন) ২০১৮-এর ১২(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে, একই আইনের ১২(৩) ধারায় ব্যবসায়ী সুমন আলীকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
কৃষি বিভাগের সিদ্ধান্ত:
জব্দকৃত ৪০ বস্তা সার সরকারি বিধি অনুযায়ী স্থানীয় সাধারণ কৃষকদের মাঝে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হবে। এবং সার বিক্রির সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন যারা
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মির্জা শহিদুল ইসলাম। অভিযান চলাকালীন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. সাইফুল্লাহ মাহমুদ ও মো. উদয় রহমান উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কৃষি উপকরণের অবৈধ পরিবহন, মজুত ও বাজারজাতকরণ রোধে প্রশাসনের এই ধরনের কঠোর ও নজরদারি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন